বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
কুমিল্লা গোমতিকে রক্ষায় জেলা প্রশাসনের অভিযান, ৭ টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস

কুমিল্লা গোমতিকে রক্ষায় জেলা প্রশাসনের অভিযান, ৭ টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস


মোঃ সাইফ উদ্দিন রনী, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান:


কুমিল্লা গোমতি নদীর ২ পাড়ের অবৈধ মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন জেলা প্রশাসন। আজ সোমবার দুপুরে জেলার সদর উপজেলার গোমতি নদীর ৩ টি স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার পালপাড়ার ভূইয়া বাড়ির ঘাটে অভিযান পরিচালনা করে ৪ টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন, পালপাড়ার দূর্গাপুর ঘাটে ছাউনিসহ একটি বড় অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও পালপাড়ার আড়াইওড়া ঘাটে ২ টি অবৈধ ড্রেজার মেশি নষ্ট করা হয়। ৩টি ঘাটে মোট ৭ টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আশীক উন নবী ও অতীস সরকার।
স্থানীয়রা জানায়, গোমতি নদীর পালপাড়া, টিক্কারচর থেকে গোলাবাড়ি সীমান্ত পর্যন্ত ৫০টির অধিক স্থানে মাটি কাটা হচ্ছে। জোর করে কৃষকের মাটি কেটে নেয়া হচ্ছে সংরাইশ এলাকায়। বাঁধা দিতে গিয়ে উল্টো চাঁদাবাজির মামলা দেয়ার হুমকি শুনতে হচ্ছে কৃষকদের।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আশীক উন নবী জানান, অভিযান পরিচালনার সময় মাটি ও বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। কাউকে জরিমানা করতে পারেনি। সরকারি সম্পত্তি ও গোমতি নদীকে রক্ষায় জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আবু সাঈদ বলেন, গোমতীতে আমাদের ধারাবাহিক অভিযান চলমান রয়েছে ও থাকবে। সম্প্রতি কোভিড-১৯ প্রতিরোধে আমাদের অভিযান কিছুটা কম হলেও আবারও শুরু হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com