সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
শার্শার বাগুড়ী ফল বাজার কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার

শার্শার বাগুড়ী ফল বাজার কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত সরকার

মোঃ নয়ন সরদার ,শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি :

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগুড়ী বেলতলা পাইকারি আমের হাট নামে সুপরিচিত ফলের বাজারটি ২০ বছর ধরে ইজারা বহির্ভূত থাকায় বছরে   প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বাজারের শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্রটি বিভিন্নভাবে ফল চাষি ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল অংকের টাকা। ফলে বাজারটি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ইজারার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করার দাবি উঠেছে স্থানীয় জনগণ, আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের পক্ষে।
যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নে অবস্থিত বাগুড়ী বেলতলা বাজারে প্রায় ৪৫০০ হেক্টর জমির আম বেচাকেনা হয়। এ আমের বাজার চলে তিন মাস ধরে। এখানে আম কিনতে ঢাকা,শরিয়তপুর, চাপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েক হাজার পাইকারি ব্যবসায়ী আসেন। প্রতিদিন এ বাজার থেকে প্রায় ১/২শ ট্রাক আম লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যায় এবং ৩/৪ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়। ১২০০ হেক্টর জমির কুল ও প্রায় ১০০০ হেক্টর জমির পেয়ারা এ বাজারে বেচাকেনা হয়। কুলের মৌসুমে বাজার চলে তিন মাস এবং এখান থেকে প্রতিদিন ৩০/৪০ ট্রাক কুল যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। পেয়ারা প্রায় সব সময় চলে। এছাড়াও লিচুসহ অন্যান্য ফল বেচাকেনা হয় এ বাজারে।

 বাজারে ২শতাধিক বিভিন্ন ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। অভিযোগ আছে, এখানে এ সিন্ডিকেট হাজারে ১০০ টাকা, ক্যারাট প্রতি ২৫ টাকা লেবার ও ট্রাক প্রতি ৩০০ টাকা কমিশন কাটে চাষি ও ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে। আবার ওষুধ স্প্রে বাবদ প্রশাসনের নাম ভাঙিয়েও নেয়া হয় টাকা। অস্বীকার করলে চক্রটি ভয়ভীতি দেখায়। নানা হুমকি ধামকিও দেয়।
বাজারটি আগে ক্ষুদ্র আকারে চালু হলে সরকারের নজর ছিল না। এখন তা বিরাট আকারে চললেও সরকারের দৃষ্টি পড়েনি। এ বাজারে সিন্ডিকেট বিরাট অংকের লেনদেন করে থাকে। বাজারটি সরকার নিয়ন্ত্রণ করলে এখানে পাবলিক সিন্ডিকেট কোন ক্ষতি করতে পারবে না। বাজারটি সরকারি ইজারাভুক্ত হলে সরকার পাবে বিপুল অংকের রাজস্ব। আর সিন্ডিকেটের হাত থেকে রক্ষা পাবেন চাষি- ব্যবসায়ীরা।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা বলেন, বাগআঁচড়া বাজার সংলগ্ন আমাদের প্রত্যেক বছর সিজনাল আমের হাট বসে। এ বিষয়ে আমরা স্থানীয় কিছু মানুষের আবেদন পেয়েছি। এটা যদি ইজারা দেয়া হয় অথবা রাজস্ব আদায় করা হয় সেক্ষেত্রে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আসার সম্ভবনা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com