আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীর,ময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহ সদরের জেলখানা সংলগ্ন চরের বেড়ীবাধ এলাকায় মুক্তাগাছা উপজেলার কাঠবওলা গ্রামের মোখলেসুর রহমানের ছেলে দিদারুল ইসলাম রুবেল (৩০) হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে।এ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে ভালুকার ড্রাইভারপাড়া এলাকা ও সদরের চরভবানীপুর কোনাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শরাফ উদ্দিনের ছেলে মোঃ সুমন মিয়া (২৫) ও আঃ রশিদের ছেলে মোঃ খোকন ওরফে খোকা (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। তারা সদর উপজেলারচরভবানীপুর কোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আরিফুল ইসলামের ১ নম্বর আমলী বিচারীক আদালতে তোলা হলে গ্রেফতারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, গত (৩ মার্চ) সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে সদরের চর জেলখানা বেড়ীবাধএলাকায় দিদারুল ইসলাম রুবেলের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। পরদিন ৪ এপ্রিল রুবেলের বাবা মোখলেছুর রহমান বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার রহস্য উদঘাটনের জন্য মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখায় ন্যস্ত করা হয়। এ ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যার সাথে জড়িতদের ধরতে দীর্ঘ অনুসন্ধান শুরু হয়।ওসি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভালুকার ড্রাইভারপাড়া এলাকা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে সুমন মিয়া ও সদরের চরভবানীপুর কোনাপাড়া এলাকা থেকে রাত সাড়ে দশটার দিকে খোকন ওরফে খোকাকে গ্রেপ্তার করা হয়।রুবেলের কাছে মাদক বিক্রির পাওনা টাকা নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে লাশ বেড়ীবাধে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে শুক্রবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, আদালতের নির্দেশে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
Leave a Reply