সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বোয়ালমারীতে তথ্য গোপন করে একাধিকবার করোনার টেস্ট করায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা

বোয়ালমারীতে তথ্য গোপন করে একাধিকবার করোনার টেস্ট করায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা


আব্দুল্লাহ আল মামুন রনী,বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ


ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে তথ্য গোপন করে এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী একাধিকবার করোনার টেস্ট করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বোয়ালমারী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের আঁধারকোঠা নিবাসী অভিযুক্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তাকে এই জরিমানা করা হয়।  
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রাইম ব্যাংকের বোয়ালমারী শাখায় কর্মরত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান (৩৬) ও তার স্ত্রী তাইয়েবা আক্তার মিলা (২৬) গত ৫ এপ্রিল বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টেস্ট করান। এর পরদিন জানা যায় তার স্ত্রী মিলা করোনা আক্রান্ত। কিন্তু হাফিজুর রহমানের টেস্টের ফলাফল ইনএকটিভ আসে। এরপর গত ৮ এপ্রিল মো. হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী তাইয়েবা আক্তার মিলা তাদের নাম পাল্টে যথাক্রমে রিপন খান ও নিলা বেগম নামে পুনরায় করোনার টেস্ট করান। ওই টেস্টে উভয়েরই করোনা শনাক্ত হয়। এরপর পরিচয় গোপন করে আবার ওই দম্পতি ২১ এপ্রিল নিজেদের প্রকৃত নামে অর্থাৎ মো. হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী তাইয়েবা আক্তার মিলা নামে করোনা টেস্ট করান। এবারও তাদের করোনা পজিটিভ আসে। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান গত কয়েক দিনে মো. হাফিজুর রহমান ও রিপন খানের মোবাইলে ৮/১০ বার ফোন দিয়ে করোনায় আক্রান্ত দম্পতির শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায় যে হাফিজুর রহমান ও রিপন খান একই ব্যক্তি। তথ্য গোপনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ শুক্রবার দুপুর একটার দিকে পৌরসভার আঁধারকোঠায় হাফিজুর রহমানের বাসায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ইউএনও রোগ সংক্রমণ (প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের ২০১৮ এর ২৬ এর ২ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। 
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, তথ্য গোপন করে বারবার করোনা টেস্ট করায় মো. হাফিজুর রহমান নামের ওই ব্যক্তিকে রোগ সংক্রমণ (প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের ২০১৮ এর ২৬ এর ২ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com