মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
সরকারি সুযোগ-সুবিধার অভাবে কায়ক্লেশে সংসার চলছে বয়োবৃদ্ধ সুরুজ মিয়ার

সরকারি সুযোগ-সুবিধার অভাবে কায়ক্লেশে সংসার চলছে বয়োবৃদ্ধ সুরুজ মিয়ার


ওবায়দুর রহমান, উপজেলা প্রতিনিধি, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ:

যে বয়সে গল্প-গুজব করে আনন্দ ফূর্তিতে জীবন কাটানোর কথা, সে বয়সে  ভাবতে হচ্ছে সংসার নিয়ে। যৌবন বয়সে মানুষের বাড়িতে দিনমজুরের কাজ করে চলতো জীবন। বার্ধক্যে এসে দিনমজুরের কাজ করতে পারছে না, তাই ৬৮ বছর বয়সে বাঁশ-বেতের কাজ করে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে তাঁকে। তিনি অন্যের বাড়ী থেকে বাঁশ ক্রয় করে এনে নিজে বেত তুলে খাঁচা বুনন করে অন্যের কাছে বিক্রয় করে চাল-ডাল কিনে কায়ক্লেশে সংসার চালায় ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামের মৃত ছাবেদ আলীর ছেলে মোঃ সুরুজ মিয়া (৬৮)। এতো কষ্টের মাঝেও অন্যের বাড়িতে কাজ করে ও বাঁশের খাঁচা বিক্রি করেলও ২ছেলে ও ৩মেয়েকে বড় করেছেন। ২ছেলে বিয়ে-শাদি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় দিন-মজুরের কাজ করে সংসার চালায়। ২মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। ৬ বছরের এক কন্যা, স্ত্রীকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি। এই বয়সেও পাননি কোন সরকারী সুযোগ-সুবিধা। 
সুরুজ মিয়া এ প্রতিবেদককে বলেন, বাবাগো ৬৮ বছর বয়সে কেউ আমার খোঁজ-খবর নেয়না, বাপের এটুকু ভিটে ছাড়া আমার আর কিছু নাই। শুনতাছি সরকার নাকি বিভিন্ন ধরণের ভাতার কার্ড দেয় কই আমিতো কিছুই পাইনা? মেম্বার চেয়ারম্যানের কাছে কয়েকবার গিয়েও কিছুই পায়নি। স্ত্রী ও এক মাইয়াকে নিয়া খুব কষ্টের মধ্যে আছি।  মানুষের বাড়ি থেকে বাঁশ কিনে বেত তুলে দিনে দুই তিনডা খাঁচা বুনে বিক্রি করে যা পাই তা দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাই। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com