মোঃ মিজানুর রহমান//পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় বেড়জাল দিয়ে জাটকা ও চরগড়া দিয়ে ছোট মাছ নিধনের মহোৎসব চলছে। উপজেলা সদরের পৌর এলাকার পার্শবর্তী সন্ধ্যা নদীতে প্রতিনিয়ত বেড় জাল দিয়ে জাটকা নিধন করা হচ্ছে। উপজেলা সদরের ফেরিঘাট ও ছারছীনা পীর সাহেবের বাড়ীর সামনে, অলংকারকাঠি- মাগুরারর সন্ধ্যা নদীর চরেচরগড়া দিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট মাছ নিধন চলে অহরহ। উপজেলা মৎস্য অফিসকে বার বার জানানো হলেও প্রতিকারে কোন উদ্যোগ নেই তাদের। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দক্ষিন স্বরূপকাঠি(গনমান) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পশ্চিম দিকে সন্ধ্যা নদীতে একদল লোক দ্রুত বেড় জাল তুলতে ব্যস্ত। এসময় তীরে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন স্বপন, বাড়ীর আবুল হোসেন ও এলাকার মো. ফরহাদ তীরে ছিল। সাংবাদিকরা ওইখানে পৌছিলে দেখাযায় বিদ্যালয়ের পেছনের বাড়ীর বেশ ক’জন মহিলা দৌড়ে নদীতে নেমে তড়িঘরি করে জাল টেনে নৌকায় ভরে দেয়। এসময় কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন স্বপন দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ অবস্থায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তামো. ওবায়দুল হককে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। দেড় ঘন্টা পরে ফোন দিয়ে বলেন বাথরুমে ছিলাম। এরই মধ্যে রই জেলেরা জাল নিয়ে নিরাপদে সড়ে পরতে সক্ষম হয়। গতকাল সোমবার পুনরায় ওই এলাকায় জাল ফেলছে জেলেরা। খবর পেয়ে বিষয়টি মৎস্য অফিসারকে জানালে তিনি বিষয়টি দেখছেন বলে সাংবাদিকদের জানান। আপনি কোথায় আছেন জানতে চাইলে বলেন বাসায়। অনেক জিজ্ঞাসার একপর্যায়ে বলেন বরিশালে বাসায় রয়েছেন। পরে ওই এলাকায় গিয়ে জাল বা জেলেদের আর পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার এক যুবক বলেন, আপনারা আসার কিছুক্ষন পূর্বে মসজিদের সামনে থাকা এক লোক ফোন পান। এরপর সে ফোন করে বলতে থাকেন জাল নিয়ে দ্রুত সরে পর। তিনি জানান মসজিদের সামনে দোকানে লোক বসা থাকে ম্যাজিষ্ট্রেট নামার আগেই তারা ফোন পেয়ে সব কিছু সামলিয়ে ফেলে। তিনি জানান ওই বাড়ীর নাসির, সুমন মেহেদী, লালু, মোস্তফা, মিলন এবং পাশের বাড়ীর জিহাদ নামে একজন জাল পাতার নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। তিনি আরো বলেন, মৎস্য অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত এলাকার লোকজনের সাথে এদের দহরম মহরম রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার করোনায় অক্রান্ত বিধায়,উপজেলা বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বশির গাজীকে জানানো হলে, তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
Leave a Reply