বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:
ডা. মীর আবু মাউদ। যশোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। করোনা প্রকোপের মধ্যেও তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। একজন মানবিক চিকিৎসক হিসেবেপ্রশংসা রয়েছে তার।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২২এপ্রিল যশোর জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। তিনি ছিলেন মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের ১ জন স্বাস্থ্যকর্মী। এরপর বাড়তে থাকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। বর্তমানে জেলায়করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়েছে। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত যশোরে করোনা আক্রান্তরোগী ৫ হাজার ৮শ’ ৩২ জন। এছাড়া মারা গেছেন ৭৯ জন নারীপুরুষ। আক্রান্তদের মধ্যে সরকারি চিকিৎসক ৫৬ জন ও বেসরকারি চিকিৎসক রয়েছেন ৫ জন। করোনাআতঙ্কের পরিস্থিতিতে সংক্রমণ প্রতিরোধে অবিরাম ছুটে চলেছেন ডা. মীর আবু মাউদ। সচেতনতামূলকপ্রচার প্রচারণার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত করোনায় আক্রান্ত রোগীদের খোঁজ খবর রাখছেন। ডা.আবু মাউদ জানান, করোনাভাইরাস আতঙ্ক সবার মাঝে রয়েছে। তিনিও এর বাইরে নন। তারপরেওমানুষের কথা চিন্তা করে তার এই ছুটে চলা। কিভাবে করোনার ভয়কে জয় করবেন সেই বিষয়েমানুষকে সচেতন করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। তাকে নানা ধরণের দিকনির্দেশনা দিয়েসহযোগিতা করছেন করোনাজয়ী সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন। করোনাযোদ্ধা ডা. মীর আবু মাউদ আরো জানান,করোনাভাইরাসের আতঙ্ক দুরে ঠেলে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে চলেছেন। জীবনের মায়াত্যাগ করে দায়িত্বকে বড় করে দেখেছেন। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের টিকা কেন্দ্রও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের র্যাপিড এন্টিজেন কেন্দ্রে নিয়মিত পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি সাধ্যমতো করোনা রোগীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। করোনার হিমশিম পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চান। করোনাকালে কোন দায়িত্ব পালনকালে পিছু পা হবেন না। করোনায় আক্রান্তদের সেবা নিশ্চিত ও সুস্থ মানুষের সচেতন করে তোলার অঙ্গিকার নিয়ে দায়িত্ব পালনকরে চলেছেন। নিজের মনে শতভাগ আত্মবিশ্বাস অসহায় মানুষের সেবার জন্য ছুটে চলেছেন। যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সম্মুখযোদ্ধাদের একজন ডা. মীর আবু মাউদ। তিনি সাহসিকতার সাথে মাঠে কাজ করে চলেছেন।
Leave a Reply