শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
যশোর করোনারি কেয়ার ইউনিটে খাবার বন্ধের আশঙ্কা !

যশোর করোনারি কেয়ার ইউনিটে খাবার বন্ধের আশঙ্কা !


বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:


যশোরে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে রোগীদের খাবার সরববরাহ যে কোন সময় বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘ ৯ মাস ঠিকাদারের (খাবার সরবরাহকারী) টাকা বাকি থাকায় কারণেই এই আশঙ্কা। ঠিকাদার জানিয়েছেন, খাবার বাবদ ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও নানা অজুহাতে উত্তোলনের অনুমোদন মিলছে না। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বলেছেন, অনুমোদনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 
প্রশানিক সূত্রে জানা গেছে, করোনারি কেয়ার ইউনিটের ২৮ শয্যায় চিকিৎসাধীন রোগীদের খাবার সরবরাহ করেন ঠিকাদার হাফিজুর রহমান শিলু। ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত ঠিকাদারের খাবার সরবরাহের টাকা পরিশোধ করা আছে। এরপর থেকে চলতি মাস পর্যন্ত খাবারের বিল বাকি রয়েছে। ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৮ সেপ্টেম্বর ৪ লাখ ও ১৬ নভেম্বরে ৪ লাখ মোট ৮ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কাগজ পত্রের ত্রুটির কারণ দেখিয়ে  এখনো অনুমোদন দেননি স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডাইরেক্টর। ঠিকাদার হাফিজুর রহমান শিলু জানান, খাবার সরবরাহ বাবদ ৯ মাসে বাকি পড়েছে ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বার বার তাগিদ দেয়ার পরও টাকা পরিশোধে কাগজ পত্রের নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে। ফলে তিনিও আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছেন। এমনবস্থায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে খাবার সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুরোধে এখনো রোগীদের মাঝে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে এই অবস্থা চলতে থাকলে খাবার সরবরাহ বন্ধ করা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। এদিকে, সরকারি এই হাসপাতালে অধিকাংশ রোগী মধ্যবিত্ত ও নি¤œবিত্ত মানুষ। যশোর ছাড়াও আশেপাশের জেলার রোগীরা এখানে চিকিৎসাধীন থাকেন। খাবার সরবরাহ বন্ধ হলে রোগীরা বিপাকে পড়বে। কারণ অনেকের তিনবেলা খাবার কিনে খাবার মতো সামথ্য নেই। তারা সরকারের সরবরাহকৃত খাবার খেয়ে থাকেন। হাসপাতালের হিসাব রক্ষক মনিরুজ্জামান জানান, বরাদ্দের টাকা অনুমোদনের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। লাইন ডাইরেক্টর ত্রুটি দেখিয়ে যে কাগজ পত্র চেয়েছেন তাও পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডাইরেক্টর দরপত্রের বিষয় নিয়ে বিগত দিনে মামলাসহ নানা কাগজপত্র চেয়েছিলেন। সেগুলো পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দের অর্থ অনুমোদন দেয়ার জন্য মুঠোফোনে স্যারকে অনুরোধও করা হয়েছে। বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে ক্যাশিয়ার ই¯্রাফিল হোসেনকে অধিদফতের পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগির বরাদ্দের অর্থ অনুমোদন মিলতে পারে। তিনি আরও জানান, ঠিকাদার ইচ্ছা করলেই রোগীদের মাঝে খাবার বন্ধ করতে পারেন না। কারণ তিনি সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com