আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীরঃময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ১৮ই ফেব্রুয়ারি রুবেল নামে এক যুবককে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের গড় পয়ারী গ্রামের নুরুল হকের এক মাত্র পুত্র রুবেল মিয়া(২২)কে জমি বিরোধের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাড়িতে একা পেয়ে রশি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন (চাচা তো ভাই) মৃত গিয়াস উদ্দিনের পুত্র কমল মিয়া(৪০) ও জুয়েল মিয়া ওরফে ডিএম(৩৫), জুয়েলের স্ত্রী শিরিন(২৫), মৃত মকবুল হোসেনের পুুুুত্র আইনল হক (৫৫) ও তার স্ত্রী আনোয়ারা(৫০),পুত্র ফরহাদ (২০),মৃত রমুজ আলীর পুত্র কুছন শেখ(৬৫) সহ অনেকেই। তার ডাক চিৎকারে রফিকুল ইসলাম, তারা মিয়া, আবু তালেব, নজরুল ইসলাম সহ এলাকাবাসী ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে। জানা যায়,সাব কাওলা দলিল থাকা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ভাবে জমি দখলের জন্য এ ঘটনা ঘটে। জমির জন্য রুবেলকে হত্যার জন্য প্রায় এক বছর ধরে এমন ঘটনা চালিয়ে আসছে অহরহ।
রুবেল বলেন, আমি ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কমল সহ অনেকেই পিছন থেকে এসে হাতে পায়ে রশি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আসতে চাইলে পাশে থাকা দা দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়ায় ভয় পেয়ে কেউ আসেনি।পরে এলাকাবাসীর ডাক চিৎকারে লোকজন আসতে দেখে তারা ঘরের ভিতর অসুস্থ বাবা কে খাট থেকে টেনে ফেলে দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসী জানান,রুবেল কে গাছে বেঁধে নির্মমভাবে মারতে দেখে আমরা ডাকচিৎকার দিলে লোক জন আসতে থাকলে কমল পালিয়ে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায়,যারা এ ঘটনায় সাক্ষী হবে তাদের কাউকে বিন্দু পরিমান ছাড় দেওয়া হবে না এবং হত্যার হুমকিও দেন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে ফুলপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর জাহিদুল ইসলাম বলেন,অফিসার ইনচার্জ ইমারত হোসেন গাজী ও ইন্সপেক্টর তদন্ত মাহবুবুর রহমানের নির্দেশে এ অভিযোগের তদন্ত করি এবং ঘটনার সত্যতার পাই। পরে ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩০৭/৩৮৯/১১৪/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০ ধারাই ৭ জনকে আসামি করে অজ্ঞাত সহ নিয়মিত মামলা করা হয়। তিনি আরো বলেন, এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি, আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি খুব দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার হবে।
Leave a Reply