আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীরঃময়মনসিংহঃ
ময়মনসিংহে নির্যাতিত শিশুকে ফেলে যাওয়ার সময় ব্যাংকার স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে জনতা।
আটককৃতরা হলেন,মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী মুন্নী। মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। সে অগ্রনী ব্যাংকে চাকরী করেন বলে জানা গেছে।
নির্যাতিত গৃহকর্মী নিশি (১১) জেলার নান্দাইল উপজেলার রাজবাড়ি গ্রামের প্রতিবন্ধী মুজিবুর রহমানের মেয়ে। নিশি ব্যাংকার মিজানুর রহমানের বাসায় কাজ করতো।কিশোরগঞ্জের মিজানুর রহমান অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরিরত বলে জানা যায়।
এ ঘটনা শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারী) রাতে ভিক্টিম শিশুর পিতা মুজিবুর রহমান বাদী কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।এর আগে ওই দিন বিকালে পাটগুদাম ব্রীজ মোড়ে আহত গৃহকর্মী লিলিকে তার বাবা মুজিবুর রহমানের কাছে বুজিয়ে দিয়ে চলে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
পুলিশ জানায়, তিন বছর আগে জেলার নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা প্রতিবন্ধী মজিবুরের ১০ বছরের শিশু কন্যা লিলি ঢাকার ধানমন্ডীতে ব্যাংকার মিজানের বাসায় গৃহকর্মীর কাজে যান।
টানা তিন বছর আটকে রেখে প্রভাবশালী অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা মিজান ও তার স্ত্রী মুন্নী মেয়েটিকে হাত-পা বেঁধে লাঠি পেটা, গরম খুন্তি দিয়ে চেকা দেয় এবং গরম পানি ঢেলে সারাদেহ ঝলসে দেয়।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই সুব্রত সাহা বলেন, ৯৯৯ কল পাওয়ার পর পুলিশ গিয়ে শিশুকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় তিন জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। আটক ব্যাংকার মিজান ও স্ত্রী মুন্নীকে গ্রেফতার দেখানো হবে।
Leave a Reply