শনিবার, ১৩ Jun ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৭ জন রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত
রংপুরে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে রোগীদের অমানবিক নির্যাতন!

রংপুরে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে রোগীদের অমানবিক নির্যাতন!

আফ্রিদা জাহিন,বিশেষ প্রতিনিধি,রংপুর

রংপুরে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে রোগীদের অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি)
রংপুরের মেডিকেল পূর্বগেটে অবস্থিত প্রধান মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের নামে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়ায় নিরাময় কেন্দ্র ঘেরাও করেন রোগীদের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা।

এমতাবস্থায় পুলিশে খবর দেয়া হলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পুলিশ কেন্দ্রটি বন্ধ করে দিলেও অভিযুক্তরা সটকে পড়েছে।

লোহার পাইপ দিয়ে মারপিট করার খবর পেয়ে এক রোগীর স্বজনরা প্রধান মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যান। এসময় প্রায় সব রোগী নিজেদের ওপর চলা শারীরিক নির্যাতনের ক্ষত দেখিয়ে তাদের উদ্ধারের অনুরোধ জানায়।

খবর পেয়ে অন্যান্য রোগীর স্বজনরাও এসে অভিযুক্তদের ওপর চড়াও হলে তারা পুলিশে খবর দেয় এবং অভিযুক্তরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

পুলিশ গিয়ে শারীরিক নির্যাতনের আলামত পেলে নির্যাতিতদের উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে এবং কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেয়।

ঘটনাস্থলে রংপুর মহানগর পুলিশের অপরাধ বিভাগের এডিসি শহিদুল্লাহ কায়সার বলেন, অভিযানের সময় দেখা যায় সেখানে থাকা রোগীদের ইলেকট্রিক শকসহ অমানসিক শারীরিক নির্যাতন করা হতো। এ কারণস অনেকের শরীরে বিভিন্ন ধরণের ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। ইলেকট্রিক শক যন্ত্র, রডসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন করার বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় মালিককে না পাওয়া গেলেও দুজন তত্ত্বাবধায়ককে আটক করে আনা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদন আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান,নগরীতে গড়ে উঠা এ ধরনের অন্য মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। সেখানে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com