বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
১১জন বৌমা প্রতিষ্ঠা করেছেন “শাশুড়ি মন্দির”

১১জন বৌমা প্রতিষ্ঠা করেছেন “শাশুড়ি মন্দির”

শিরোনামটি পড়লে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই মনে খটকা লাগতে পারে৷ কারণ, গল্প, উপন্যাস, টিভি-নাটক, এমনকি বহু পরিবারে এখনও “শাশুড়ি” মানেই যেন একজন সাক্ষাৎ “ভিলেন”৷ সেখানে হঠাৎ বৌমারা সম্মিলিতভাবে মন্দির গড়ে নিয়মিত শাশুড়ির পুজো করবেন, এ’কথা বিশ্বাস করাও কষ্টকর৷ কিন্তু, বাস্তবে তাই ঘটেছে৷ প্রচলিত ধারণার বিপরীত মেরুতে দাঁড়িয়ে, ১১জন বৌমা নিজেদের শাশুড়ির উদ্দেশ্যে একটা মন্দির তৈরি করেছেন৷ সেখানে আছে শ্রদ্ধেয় শাশুড়ির মূর্তি৷ সেটি আবার সোনার অলঙ্কারে সুসজ্জিত৷ প্রতিদিন সেই মূর্তিকে পুজো করা হয়৷ শুধু তাই নয়, মাসে একদিন নিয়মিতভাবে ১১জন বৌমা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভজন-কীর্তনও করেন৷
এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ভারতের ছত্তিসগড় রাজ্যের বিলাসপুরের৷ সেখান থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বিলাসপুর-কোরবা মার্গে আছে রতনপুর গ্রাম৷ সেখানে ২০১০ সালে ঐ ১১জন বৌমার তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছিল এক মহামায়া মন্দির৷ সেখানেই তাঁরা তাঁদের শাশুড়ি গীতা দেবীর একটি মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন৷
সর্ব্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিক “টাইমস নাউ”-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রতনপুর গ্রামে আছে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শিবপ্রসাদ তম্বোলির যৌথ পরিবার৷ যার সদস্য সংখ্যা এখন ৩৯৷ শিবপ্রসাদের স্ত্রী গীতা দেবী প্রয়াত হওয়ার পরে ২০১০ সালে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়৷ আসলে, গীতা দেবীর মৃত্যুর শোক পরিবারের কেউই ভুলতে পারেননি৷ বৌমারা তো নয়ই৷ নিজের তিনজন এবং দেবরের আটজন, এই ১১জন বৌমাকেই গীতা দেবী নিজের মেয়ের মত ভালবাসতেন৷
সবচেয়ে বড় কথা, গ্রামের মেয়ে হলেও , এই ১১জন বৌমা কিন্তু কেউই অশিক্ষিত নন৷ বরং উচ্চশিক্ষিত৷ এবং তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনওভাবে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com