বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ব‌রিশা‌লে কীর্তন‌খোলা লঞ্চ মা‌লি‌কের বিরু‌দ্ধে কীর্তনখোলা নেভিগেশন প্রতারণা মামলা দা‌য়ের

ব‌রিশা‌লে কীর্তন‌খোলা লঞ্চ মা‌লি‌কের বিরু‌দ্ধে কীর্তনখোলা নেভিগেশন প্রতারণা মামলা দা‌য়ের

এম ব‌শির, ব‌্যু‌রো প্রধান, ব‌রিশালঃ

কোম্পানির প্রোপ্রাইটর ( কীর্তনখোলা লঞ্চ মালিক) মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌসের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা দায়ের হয়েছে।

১৭ জানুয়ারী রোববার বরিশালের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করলে ভারপ্রাপ্ত বিচারক শামীম আহমেদ পিবিআই কে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সেলিম হাওলাদার জানায়, ফেরদৌসের বাড়ি বরিশাল নগরীর বিরুদ্ধে নবগ্রাম রোডস্থ হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন একই এলাকার বাসিন্দা লুতফুর রহমান।

অভিযোগে তিনি বলেন অভিযুক্ত ফেরদৌস তার পূর্ব পরিচিত এবং বরিশাল পাবলিক হেলথ এর ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার। সে ঠিকাদারি কাজে টাকা ধার নিয়ে ফেরত দিয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রতারণায় মাতছে।

তিনি গভীর নলকুপ বসানোর টেন্ডার পাওয়ার কথা বলে কাজ শুরু করতে লুতফুরের কাছে ৮ লাখ টাকা ধার চায়। ১৯৯৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার কুতুবউদ্দিন আহমেদ এর বাসায় বসে বিল পেয়ে লভ্যাংশ সহ ফেরত দেয়ার শর্তে ৮ লাখ টাকা ধার নেয়।

নির্ধারিত মেয়াদ শেষে তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে সে দেইদিচ্ছি বলে ঘুরাতে থাকে। শালিস মিমাংসা হলে সেখানেও সে টাকা ফেরত দেয়ার অংগীকার করে। পরবর্তীতে আবারও টালবাহানা করে। গত ৪ জানুয়ারী টাকা ফেরত চাইলে সে অস্বীকার করে। এধরণের অভিযোগ দেয়া হলে আদালত ওই আদেশ দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com