মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ইমু পাখির ঘরে নতুন অতিথি

গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ইমু পাখির ঘরে নতুন অতিথি

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ইমু পাখির বাচ্চা হয়েছে। রোববার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে পার্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানায়।

জানা গেছে, গত রোববার (২০ ডিসেম্বর) সকালে ইমুর পাখির একটি বাচ্চা ফুটেছে। আর বাচ্চাটি ঘিরেই ইমুর ঘরে বইছে আনন্দের বন্যা। ইমুর ডিম ফুটে ছানার জন্ম হওয়ার ঘটনা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে দ্বিতীয়। ২০ ডিসেম্বর বাচ্চার জন্ম হলেও নিরাপত্তার কারণে বিবেচনায় আজ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আনিসুর রহমান বলেন, পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পাখি ‘ইমু’। বন্য পরিবেশে দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও এদের বসবাস অস্ট্রেলিয়াতেও। পার্ক প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একটি পুরুষ ও দুটি নারীসহ মোট তিনটি ইমু পার্কে আনা হয়েছিল। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে পার্কে চারটি ইমু ছানার জন্ম হয়েছিল। নতুন ছানা নিয়ে বর্তমানে পার্কে ইমুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটটি।

তিনি জানান, সম্প্রতি একটি মাদি ইমু পাঁচটি ডিম দেয়ার পর পুরুষ ইমুটি ডিমে তা দেয়। তা থেকে গত ২০ ডিসেম্বর সকালে একটি বাচ্চা ফুটেছে। বাকি ডিমগুলো হতে আরও বাচ্চা পাওয়ার আশা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সমতল তৃণভূমি বা খোলামেলা বন জঙ্গলে এরা বাস করে, এরা যাযাবর শ্রেণির অর্ন্তভুক্ত। ইমু পাখি হলেও এরা উড়তে পারে না, তবে ঘণ্টায় ৪০ মাইল বেগে দৌঁড়াতে পারে। এরা দক্ষ সাতারুও বটে। ইমু খুব শান্তশিষ্ট ও উৎসুক পাখি।

ইমু সাধারণত ছয় ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়ে এবং সর্বোচ্চ ওজন হয় ৬০-৬৫ কেজি। ডিম দেয়ার সময় হলে এরা বাসা বাঁধে। মা ইমু ডিম দেয়ার পর পুরুষ ইমু ডিমে তা দেয়। এই সময় তারা ডিম ছেড়ে অন্য কোথাও যায় না, এমনকি খাওয়া-দাওয়াও করে না। এদের প্রধান খাবার গাছপালা, ফলমূল ও পোকা মাকড়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com