ইউনিফর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কাজে সততা, পেশার প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক এবং দায়িত্বশীল চিতলমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার “যে কোনও মূল্যে চিতলমারীকে মাদক মুক্ত করার সাহসী ঘোষণা” সত্যিই একটি সুসংবাদ চিতলমারীর মানুষের জন্য। চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক চিতলমারী থানায় যোগদানের পর থেকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সুদ ও মাদকের বিরুদ্ধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি কঠোর হলেও আইনী সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত অসহায় মানুষের মধ্যে মানবিক পুলিশ অফিসার হিসাবে তাঁর সুনাম রয়েছে।
পুলিশ বিভাগের অন্যতম নবীনদের একজন এই পরিদর্শক আইনী সহায়তার জন্য আসা ব্যক্তিদের সমস্যার কথা ধৈর্য সহকারে শোনা এবং তাদেরকে আইনগত সহায়তা প্রদান, সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান বা প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য নিজেকে এলাকার মানুষের মধ্যে সম্মানজনক অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
‘সেবা প্রাপ্তদের সেবা প্রদান করা পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব’ এ জাতীয় মানসিকতা নিয়ে কাজ করাটা তাঁকে সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় করে তুলেছে এবং একই সাথে পুলিশের প্রতি তাদের নেতিবাচক মনোভাবকে দূর করতে সহায়তা করেছে। ব্যক্তি হিসাবে ইতিবাচক মানসিকতা পোষণ করা এই কর্মকর্তা পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের নেতিবাচক মনোভাবকে দূর করতে সক্ষম হয়েছেন।
ঘটনাস্থলে গিয়ে বা থানা চত্বরে উপস্থিত থেকে তিনি নিজ উদ্যোগে এলাকার অগণিত মানুষের বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তি করে জনগণের মধ্যে একটি আশাবাদী মানসিকতা তৈরি করেছেন।
কাজের দায়বদ্ধতার ও সেবার মানসিকতা থেকেই একজন মানবিক পুলিশ অফিসার হিসাবে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে করোনার প্রথম ঢেউ মোকাবেলায় তার অনবদ্য ভূমিকার জন্যও তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন।
মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে সম্প্রতি তিনি চিতলমারীকে মাদক মুক্ত করার ঘোষণা দেন। তাঁর সাহসী ঘোষণাটি এলাকার মানুষের জন্য স্বস্তি এনে দিয়েছে।
“পুলিশ জনগণের, জনগণ পুলিশের” এই স্লোগানকে মাথায় রেখে বিবেক ও নীতির কাছে দায়বদ্ধ থেকে আমি আমার দায়িত্ব পালন করব, যাতে লোকেরা পুলিশকে তাদের বন্ধু বা সেবক হিসাবে বিবেচনা করতে পারে,” তিনি বলেন।
Leave a Reply