হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার শরীফ উদ্দিন সড়কে অশ্লীলতা সহ হিজরাদের চাঁদাবাজি ও জঘন্য আচরণে অতিষ্ঠ এলাকা বাসী।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচং প্রকৃতিক সৌন্দর্য আর ঐতিহ্য বাহী এই গ্রামের চতুর্দিকে রয়েছে পাকা রাস্তা আর সবুজ গাছপালা সহ চতুর্দিকে বিস্তৃত ফসলী জমি।
কর্ম ব্যস্ত থাকেন সকল মানুষ।
বানিয়াচং গ্রামের দক্ষিণ পশ্চিম এবং উত্তর দিকে রয়েছে বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ সংসদীয় আসনের সাবেক এম.পি মরহুম শরীফ উদ্দিন আহমেদ সড়ক।
শরীফ উদ্দিন আহমেদ সড়ক টি বানিয়াচঙ্গের দুই দিক থেকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সাথে সংযোক্ত। সড়ক টি অনেক নিরিবিলি হওয়ায় ঘুরতে বেশ ভালই লাগে, বছরের যে কোন ঋতুতে এইরকম মনোরম পরিবেশে ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা যে কারোরই জাগবে।
এই সড়কে ঘুরতে গিয়ে অনেক সময় কিছু কিছু অশ্লীল দৃশ্য চোখে পড়ে প্রতি নিয়ত, এই সব অশ্লীল দৃশ্য দেখে লজ্জায় চোখ ফিরিয়ে নিতে হয় সচেতন মহল সহ অন্যান্য গাড়ির যাত্রী ও পথচারীদের।
বানিয়াচং এ বেশ কিছু সুনাম ধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় আশেপাশের গ্রাম গুলো থেকে লেখা পড়ার জন্য আসছে শিক্ষার্থীরা, আর এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে এক শ্রেণীর সুযোগ সন্ধানী উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা।
এলাকার সচেতন যুবকদের দেওয়া তথ্য অনুসারে আমাদের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি রিতেষ কুমার বৈষ্ণব ‘র দীর্ঘ এক মাসের অনুসন্ধানে জানা যায় –
তাদের দেখতে ঠিক স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মতোই মনে হয়, মেয়েদের থাকে বোরকা পড়া সাথে স্কুল ব্যাগ অথবা একটা ফাইল।
কোন মানুষ জনের সমাগম চোখে পড়লেই তাদের ভদ্রতার যেন সীমা নেই।
একটু ফাঁকা রাস্তা পেলেই শুরু হয় অশ্লীলতা।
টমটম, মিশুক ড্রাইভারগন ও ফাঁকে ভারার টাকার হিসাব টা ইচ্ছে মত নিয়ে নেয়। তাদের যাত্রা শুরু হয় সকাল এগারো টায় শরীফ উদ্দিন সড়কের যেকোনো মোড় অথবা নিরিবিলি স্থান থেকে, যাত্রা পাশা কুন্ডুর পাড় চার রাস্তার মোড় হয়ে আজমিরীগঞ্জের বিরাট গ্রামের মোড় দিয়ে জলসূখা হয়ে ফিরে আসে বানিয়াচঙ্গে।
জলসূখা অতিক্রম করে রাস্তার পাশে বিভিন্ন রকম গাছ পালা জম্ম নিয়ে ঝোপজার তৈরি হওয়ায় টমটম, মিশুক রাস্তার এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে ঝোপের ভেতর ঢুকে পড়তে দেখা যায় অনেককেই।
অনেক সময় যুবতী মেয়েরা মোবাইল ফোন হারিয়ে এবং কেঁদে কেঁদে একা বাড়ি ফিরতে ও দেখা যায়।
শরীফ উদ্দিন সড়কের আশপাশের এলাকায় বসবাস রত মানুষের সাথে কথা হলে তারা জানান , এই রকম ঘটনা এই রাস্তায় দীর্ঘদিন যাবত ঘটেই আসছে, কিছুদিন পর পর বিভিন্ন এলাকার মেয়েদের কে আমরা গাড়িতে উঠিয়ে দেই বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য,
এদের দেখতে শিক্ষার্থীদের মতো মনে হলেও তারা অনেকেই গার্মেন্টস শ্রমিক এবং বানিয়াচং উপজেলা সদরের বাহির থেকে আগত।
এই সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে আবারও হিজরাদের চাঁদাবাজির দৃশ্য ধরা পরে আমাদের প্রতিনিধির ক্যামেরায়।
এইসব ঘটনা ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর ভুমিকার পাশাপাশি প্রত্যেক এলাকার লোকজন সহ সকল অভি ভাবকগন কেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এই সকল বিষয়ে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ এমরান হোসেন’র সাথে কথা হলে তিনি আমাদের প্রতিনিধি কে জানান- সকল প্রকার অপরাধ নির্মূলে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত, আমি বানিয়াচং থানা এলাকার সকল রাস্থা গুলো সহ গুরুত্ব পূর্ণ এলাকা গুলো নিজে নিয়মিত পরিদর্শন করি, অসুস্থ হয়েও আজ বানিয়াচং থানা এলাকার মার্ডার সহ বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে এসেছি, আপনার বিষয় গুলো ও অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এইসব বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা একান্ত জরুরী, এই ঘটনা গুলো অল্প সময়ের মধ্যে ঘটে, তাৎক্ষণিক জানালে এবং ঠিক সময়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছাতে পারলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
Leave a Reply