মোঃ কামরুজ্জামান খাঁন পিকলু (চিতলমারী, বাগেরহাট) ঃ আপদমস্তক সংস্কৃতিমনা, প্রগতিশীল ধ্যান ধারণা আর অগ্রসরমান চিন্তার বাহক, স্বল্প ভাষী এক কর্ম পাগল মানুষ যিনি “কথার চেয়ে কাজ বেশি” এমন বাস্তবতায় বিশ্বাসী তিনি চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মারুফুল আলম। আগমনের অব্যবহিত পরেই তোপের মুখে পড়েন Covid 19 Pandemic এর। দিবারাত্র নিদারুণ পরিশ্রম করে,
কোভিড আক্রান্ত হবার সবটুকু ঝুঁকিকে মাথায় নিয়ে ছুটে বেড়িয়েছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের দ্বার অব্দি। আইনের প্রতি অটুট থেকে পরিচালনা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত, জনগণকে সচেতন এবং সতর্ক করতে চালিয়েছেন ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা, একই সাথে তাদের পাশে থেকে তাদের সাহস যুগিয়েছেন, অভয় দিয়েছেন ভয় না পেয়ে করোনাকে মোকাবেলা করার। Covid-19 মোকাবেলার এই যুদ্ধে সহযোদ্ধা হিসেবে সার্বক্ষণিক পাশে পেয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মামুন হাসান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর শরীফুল হক সহ চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে,
জানান তিনি। ফলাফল হিসেবে বাগেরহাট জেলার মধ্যে চিতলমারী উপজেলায় সবথেকে কম হয়েছে করোনা আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা, বললেন তিনি।
করোনার প্রকোপের মাঝেও চালিয়ে গেছেন রুটিনওয়ার্কসহ প্রশাসনিক কম্পাউন্ডের ভেতরে বেশ কিছু সংস্কার এবং উপজেলাব্যাপী উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড।
ক্ষণিক বিরতির পর আবার এসেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। অতীতের ন্যায় এবারও সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বেন তিনি এ জনপদের মানুষকে নিরাপদ রাখতে এবং কাজে লাগাবেন পূর্বের অভিজ্ঞতাকে, নিশ্চিত করেন তিনি। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছেন Covid-19 মোকাবেলায়। জনগণ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে এবং ব্যাপকভাবে সচেতন হলে এবারও সফল হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তৃনমূলের সর্বোচ্চ এই কর্মকর্তা।
শীতের শুরু থেকেই শীতবস্ত্র বিতরণ করে চলেছেন ছিন্নমূল মানুষসহ বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এতিম ও অসহায়দের মাঝে। সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডসহ সকল প্রকার মানবিক ও জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই আধিকারিক।
Leave a Reply