বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ? মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
ভোলা সদরের পৌর ২নং ওয়ার্ডের মূল সড়কটির বেহাল দশা, ঘটতে পারে প্রাণহানির মত দুর্ঘটনাও

ভোলা সদরের পৌর ২নং ওয়ার্ডের মূল সড়কটির বেহাল দশা, ঘটতে পারে প্রাণহানির মত দুর্ঘটনাও

ভোলা সদর উপজেলার ২নং ওয়ার্ডের ভোলা জেলা আদালত ভবনের সামনে থেকে মিল ঘর পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ৩৫/৪০ হাজার মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই হাজার হাজার পথচারী, স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীরা চলাচল করে। এই সড়কে জেলা জজ আদালতের মত একটি গুরুত্ব পূর্ন স্থাপনা থাকলেও সড়কটি রয়েছে অবহেলিত।

এই জরাজির্ন সড়কে আরো রয়েছে ফজিলাতুননেছা সরকারী মহিলা কলেজ।ফজিলাতুননেছা সরকারী মহিলা কলেজ ও সরকারী গার্লস স্কুলের হাজারো শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে এই সড়কে।এই সড়কে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। যে কোন সময় ঘটতে পারে প্রাণ হানীর মত দুর্ঘটনাও। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের পুরোনো এই রাস্তাটি প্রায়ই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ।

রাস্তাটির কারণে এলাকাবাসীর জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।এই সড়কের প্রায় ৫০/৬০ ভাগ যায়গাই নষ্ট হয়েগিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটিতে কোন সংস্কারের কাজ হয় নাই। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কার করণের দাবি এলাকাবাসীর থাকলেও তাদের ডাকে সাড়া দেননি কোন জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কেউ। সংস্কারের বালাই নেই বলে রাস্তাটি এখন এলাগাবাসীর গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ধনিয়া, গোটাউন,তুলাতুলি, নাছির মাঝি, মাঝের চর সহ প্রায় ১৫-২০ গ্রামের লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি। সাইকেল, মোটরসাইকেল বা রিক্সা তো দূরের কথা পায়ে হেঁটেও চলাচল করা বিপদজনক হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একজন বলেন, রাস্তা দেখলে মনে হয় এলাকা ছেড়ে অন্যত্র ঘড়-বাড়ি বানাই। তিনি বলেন, প্রায় অনেকদিন যাবত এই রাস্তাটি জনদুর্ভোগের কারন হয়ে রয়েছে কিন্তু কখনো দেখিনি কোন জনপ্রতিনিধিকে রাস্তা সংষ্কারের ব্যাপারে কথা বলতে। তিনি খুব আক্ষেপের সাথে বলেন, জননেত্রী শেখহাসিনার শাসনামলে ভোলায় এত উন্নয়ন হয়েছে যা ভোলার মানুষ কখনোই ভুলবে না।

যে ভোলার গ্রাম গঞ্জের কোথাও কোন কাঁচা রাস্তা নেই।সেখানা সাবেক শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী বর্তমান এমপি তোফায়েল আহমেদের মত বিজ্ঞ জনের বাড়ির রাস্তাটি কেন এতটা অবহেলিত। আমরা কেন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।তিনি বলেন এই রাস্তার নাম শুনলেই অনেক রিক্সা বা গাড়ি যেতে চায়না।আমাদের ছেলে মেয়েদের বিয়ের জন্য দেখতে আসলে আমরা এই রাস্তার জন্য লজ্জিত হচ্ছি। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি খানাখন্দ সহ ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তাই চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত পথচারী ও যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সাহাবুদ্দিন মিয়া জামে মসজিদ থেকে মিলঘর পর্যন্ত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com