বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রহস্যময়ী মামলাবাজ নারী, ফাঁসছে নিরপরাধ মানুষ

রহস্যময়ী মামলাবাজ নারী, ফাঁসছে নিরপরাধ মানুষ

রহস্যময়ী এক নারী, যিনি কোর্টে কিংবা থানায় এসে করেন একের পর এক মামলা। আবার নিরুদ্দেশ হয়ে যান। তার এসব মামলায় ফেঁসে যাচ্ছে নিরপরাধ মানুষ। এমন এক মামলাবাজ নারীর খোঁজ মিলেছে গাজীপুরে।

ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফেরেন ড. নুরুল ইসলাম শেখ। এরপর প্রতারণার শিকার হন রহস্যময়ী এ নারীর। সম্প্রতি ধর্ষণ মামলায় আটদিন জেলও খেটেছেন তিনি। আরো দুই ভুয়া মামলা নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা ছুটছেন গাজীপুরের কোর্টপাড়ায়।

কখনো রাবেয়া আবার কখনো পারভীন, বিথী। ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ে একের পর এক ভুয়া মামলা দিয়ে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী এ ব্যক্তিকে হয়রানি করছে কথিত অভিযোগকারী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলামের মালিকানাধীন বাংলাদেশ নরওয়ে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন কথিত সাথী। এর কিছুদিন পর পরীক্ষার রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে বাগানবাড়িতে ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে দেয়া হয় আরেক মামলা। যেখানে ড. নুরুল ইসলামকে দেখানো হয় ডাক্তার হিসেবে। এখানেই শেষ নয়; ভুয়া নিকাহনামা তৈরি করে ঘাড়ে চাপানো হয় আরো একটি যৌতুক মামলা।

ভুক্তভোগী ড. নুরুল ইসলাম শেখ বলেন, পুলিশ বিন্দুমাত্র তদন্ত না করে, কোনো প্রকার সত্যতা ছাড়া মামলাটি নেয়। বিনা কারণে আমাকে আটদিন জেল খাটতে হয়েছে। সরকারের কাছে আমার দাবি, কোনো মামলার ক্ষেত্রে যেন তদন্ত ছাড়া রেকর্ড করা না হয়।

মামলা নেয়ার আগে প্রাথমিক তদন্ত কেন করা হচ্ছে না- জবাবে গাজীপুরের এসপি শামসুন্নাহার বলেন, তাৎক্ষণিক মামলা নেয়ায় এমনটা হয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তার কোনো গাফিলতি ছিল কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তদন্তে গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনও (পিবিআই) কথিত ওই নারীর খোঁজ পাচ্ছে না।

জেলা পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ মাকসুদের রহমান বলেন, অভিযোগকারী নারীকে তদন্তের স্বার্থে বারবার তলব করা হলেও তিনি আসেননি। পরবর্তীতে তার দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী খোঁজ নিয়েও সাথী আক্তার নামে কাউকে পাওয়া যায়নি।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খোরশেদ আলম বলেন, যেকোনো মামলার এফআইআর রেকর্ড করার আগে পুলিশকে বাদীর ব্যাপারে তদন্ত করতে হবে। তাহলেই এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা রোধ করা যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com