সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর থানা ও মধ্যনগর থানার যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি ভাঙ্গা । যার ফলে প্রায় বন্ধের মুখে যাতায়াত । ভাঙ্গন পারাপার হওয়ার একমাত্র উপায় সাকু। উক্ত ভাঙ্গা সড়কটির অবস্থান তাহিরপুর উপজেলার হাওড় বেষ্টিত দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত সুলেমানপুর গ্রামে ।সুলেমানপুর গ্রামের পাশ দিয়েই রাস্তার টির অবস্থান।যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা ভাঙ্গা। কোনো প্রকার গাড়ি পারাপার করার নেই কোনো ব্যবস্থা। পথচারীদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন সাকু। যার কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় জনগণ সহ বাজারের পথচারী ও গাড়ির ড্রাইভার দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,তাহিরপুর উপজেলা থেকে মধ্যনগর থানা যাতায়াতের জন্য এটিই একমাত্র রাস্তা। বছরের ছয় মাস উক্ত রাস্তা দিয় যাতায়াত করতে হয়,বাকি ছয় মাস রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায়। প্রতিবছরের ন্যায় বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায়,তার পর কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে আবার রাস্তাটি ভাসমান হয়। রাস্তাটি ভাসমান হওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয় উক্ত দুই থানার যাতায়াত । প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ উক্ত পথে যাতায়াত করে। নানা প্রকার ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সর্বসাধারণ সহ দুই থানার যাতায়াতকারীরা।দ্রুত রাস্তাটি মেরামত না করলে আরো নানা প্রকার ভোগান্তি পোয়াতে হবে সর্বসাধারণকে।
স্থানীয় সচেতনমহল জানায়,তাহিরপুরে উপজেলায় যেকোনো ধরনের সেবা গ্রহণের জন্য যেতে হলে উক্ত রাস্তা দিয়েই যেতে হয়।উপজেলায় যাতায়াতের একটি রাস্তাই আবার রাস্তাটি ভাঙ্গা । যার ফলে সরাসরি গাড়ি দিয়ে উপজেলায় যাতায়াত করা অসম্ভব। বর্তমানে ভাঙ্গা রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে থাকায় সাকু দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ভাঙ্গা রাস্তায় গাড়ি পারাপার করার কোনো ব্যবস্থা নেই। গাড়ি নিয়ে এই সড়ক পথে আসলে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত না করলে যেকোনো দিন বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই রাস্তাটি মেরামত করে তাহিরপুর – মধ্যনগর যাতায়াতের সুব্যবস্থা করে দেওয়া হউক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পথচারী যানান, প্রতি সাপ্তাহে প্রায়েই আমাকে তাহিরপুর যেতে হয়। তাহিরপুর যেতে হলেই আমাকে গাড়ি দিয়ে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে আমাকে গাড়ি নিয়ে তাহিরপুর যেতে হয়। কিন্তু রাস্তাটি ভাঙ্গা থাকায় আমাকে নানান ভোগান্তি পোহাতে হয়।দ্রুত এর সমাধান চাই। আমরা নিরাপদ সড়ক চাই।
এবিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আছে,ইতিমধ্যে আমাদের কাজ চলচে।আর রাস্তা শুকানোর সাথে সাথে কাজ চলবে।দ্রুত চলাচলের উপযোগী করা হবে।
Leave a Reply