চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালে মৃত্যু হওয়া পুলিশের এএসপি আনিসুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, আবারও এমন অভিযোগ করছেন তার সহকর্মীরা। সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তিরও দাবি জানান তারা।
বুধবার (১১ নভেম্বর) সকালে নিহত আনিসুলের বাড়ি আসেন বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ-৩১ এর সহকর্মীরা। এসময় পরিবারের কান্নায় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয় সেখানে। চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি সহকর্মীরাও । শোক আর ক্ষোভের কাছে যেন হার মেনে যায় পেশাদারিত্ব।
চিকিৎসা নিতে গিয়ে নিহত এএসপি আনিসুল করিমের পরিবারের সদস্যদের সহমর্মিতা জানাতে গিয়ে অশ্রুজলে ভাসেন সহকর্মী ও ব্যাচমেটরা। ক্ষোভ জানান এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে।
এসময় ব্যাচমেটরা জানান, ছাত্র হিসেবে প্রচণ্ড মেধাবী ছিলেন আনিসুল। প্রশিক্ষণে থাকা অবস্থায় তিনিও জুনিয়রদের শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন। নির্লোভ নির্মোহ আনিসুলের এমন মৃত্যু সবার কাছেই অনাকাঙ্ক্ষিত বলে জানান তারা। এসময় সহকর্মীরা, সারা জীবন আনিসুলের পরিবারের পাশে থাকবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।
এসময় চার ভাই বোনের মধ্যে ছোট আনিসুলের মৃত্যুতে বিলাপ করতে থাকেন বড় বোন ডা. উম্মে সালমা। মাত্র মিনিটের মধ্যেই স্নেহের ভাইকে মেরে ফেলার ঘটনায় নিজেকে মানাতে পারছেন তিনি।
ব্যাচম্যাট সহকর্মীদের সঙ্গে আনিসুলের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদও।
এসময় তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ড অনাকাঙ্ক্ষিত, সুপরিকল্পিতভাবে তারা এটা করেছে। পুলিশ সদস্য জেনেও তারা এমন নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়ায় হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। ইতোমধ্যে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে উল্লেখ করেন তিনি।
Leave a Reply