মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ঝালকাঠির সৈয়দ এনামুল হকের এ্যাগ্রো র্ফাম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।

ঝালকাঠির সৈয়দ এনামুল হকের এ্যাগ্রো র্ফাম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার উত্তর পিংরি গ্রামের সৈয়দ এনামুল হক নিজের শ্রম ও মেধা দিয়ে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়েছেন। ৫ বছর পূর্বে ২০ হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে মুরগির খামার শুরু করেন। এখন তাঁর পুঁজি ৩ কোটি টাকা। পৈত্রিক ১৫ বিঘা জমির উপর গড়ে তুলেছেন সৈয়দ বহুমূখী এগ্রো ফার্ম। এখানে কর্ম সংস্থান হয়েছে ১০টি পরিবারের। সৈয়দ এনামুল হকের এগ্রো ফার্মে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কম্পোনেন্ট নিয়ে বহুমাত্রিক ফার্ম গড়েছেন।

ঝালকাঠির যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সৈয়দ এনামুল হককে গবাদী পশু, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। সৈয়দ এনামুল হক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এখন একজন সফল উদ্যোক্তা। জেলা প্রশাসকসহ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান তাঁর প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। বিভিন্ন উদ্যোক্তরা তাঁর প্রকল্প দেখতে এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে আসেন।

এই গ্রামের সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিকের পুত্র সৈয়দ এনামুল হক উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বেকার জীবন যাপন করছিলেন। ৫ বছর পূর্বে এনামুল হক ট্রলারে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে যাওয়ার দালাল খুঁজতে ঢাকায় যান। তখন হোটেলে বসে তার ধারণা হয় বিদেশে যেতে পারলেও এই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে পরিশ্রমের কাজ করতে হবে। এই পরিশ্রম দিয়েই নিজের পৈত্রিক জায়গায় কিছু করার চিন্তা করেন। সে চিন্তা থেকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে প্রথমে হাঁস মুরগী পালনের উপর প্রশিক্ষণ নেন।

বড় ভাই সৈয়দ আজিজুল হকের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ছোট আকারের একটি মুরগীর ফার্ম শুরু করেন। আজ তাঁর ১৫ বিঘা জমির উপরে ছোট বড় ৪ টি পুকুরে মিশ্র জাতের মাছের চাষ এবং একটি পুকুরে দেশি জাতের শিং, মাগুর মাছের চাষ রয়েছে। এর পাশাপাশি বয়লার ও দেশি জাতের মুরগীর পৃথক খামার রয়েছে। একই ফার্মে রয়েছে দেশি জাতের গরুর খামার। নতুন করে সংকর জাতের গাভী লালন পালনের জন্য বড় আকারের শেড নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া পুকুর সংলগ্ন পারে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও বসত বাড়িতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ফলের গাছ রয়েছে।

মুরগীর ফার্মের সাথেই ৩ শতাধিক কবুতরসহ টারকী (কেদারনাথ, সিলকি) জাতের মুরগী রয়েছে। ফার্ম দেখতে এসে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী সন্তোষ প্রকাশ করেন। এই ধরনের ফার্ম করে যুবকরা সাবলম্বি হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দেশের সমৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com