শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সামাজিক সুরক্ষায় আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী
‘হু আর ইউ? অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? উইল ইউ অ্যারেস্ট মি?’ গ্রেফতারের আগে মদ্যপ অবস্থায় এভাবেই র‌্যাব সদস্যদের উদ্দেশে বলতে থাকেন হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম।

‘হু আর ইউ? অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? উইল ইউ অ্যারেস্ট মি?’ গ্রেফতারের আগে মদ্যপ অবস্থায় এভাবেই র‌্যাব সদস্যদের উদ্দেশে বলতে থাকেন হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকায় ‘চান সরকার দাদা বাড়িতে’ র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‍্যাব-৩ ও র‍্যাব-১০ এর সদস্যরা যখন পৌঁছান তখন তিনি তখন চার তলায় নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন। এসময় বাসার কেয়ারটেকারের ডাকে দরজা খোলেন ইরফান। তখন মদ্যপ থাকায় তিনি ঢুলছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও র‍্যাব কর্মকর্তাদের দেখে তিনি রেগে উঠে বলেন, ‘হু আর ইউ? অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? উইল ইউ অ্যারেস্ট মি?’

অভিযানে থাকা র‌্যাব সদস্য ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য মিলেছে।

এর আগে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অন্তত ৩৮টা অবৈধ ওয়াকিটকি ‍উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এসব ওয়াকিটকি দিয়ে পুরো ‘পুরান ঢাকা’ নিয়ন্ত্রণ করতে কাউন্সিলর ইরফান। গণমাধ্যমের কাছে এমনটিই দাবি করেছে র‌্যাব।

অভিযান শেষে মাদক ও অবৈধ ওয়াকিটকি রাখা ও ব্যবহার করার দায়ে মো. ইরফান সেলিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম তাকে এ সাজা দেন। এ সময় ইরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদুলকে ইসলামেও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

র‍্যাবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সময় নিউজকে জানিয়েছেন, তারা ধারণা করছেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করা এবং ঢাকা শহরে অবৈধভাবে কোনো সিগন্যালিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো।

সরেজমিনে বাড়ির ভিতরে ঘুরে র‌্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাজী সেলিমের ছেলে পুরান ঢাকা তার নিয়ন্ত্রণে রাখতেন এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য সম্পূর্ণ ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মধ্যে রেখেছেন। এজন্য তিনি অবৈধভাবে ভিপিএস ডিভাইস ব্যবহার করতেন। এই ডিভাইস আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ট্র্যাক করতে পারেন না। সরকারি অনুমোদ ছাড়াই তিনি এই ভিপিএস নেটওয়ার্কিং সিস্টেম করেছিলেন। এসব ডিভাইসের মাধ্যমে তিনি ঘরে বসেই পুরো পুরান ঢাকার তথ্য সংগ্রহ করতে পারতেন। তবে এই জাতীয় যন্ত্রাদি সরকারি কর্মকর্তা ছাড়া ব্যবহারের অনুমোদন নেই। এগুলো কোনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারিতেও রাখতে পারে না।

র‌্যাব কর্মকর্তারা বলছেন, বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়াই তিনি তার বাসায় এই ভিপিএস ডিভাইসের মাধ্যমে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং সিস্টেম করেছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com