ইন্দুরকানীতে নারী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপদ দেশ গড়ি’ নারী নির্যাতন বন্ধ করি- এমন সব প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইন্দুরকানী উপজেলার ৪ টি স্থানে বিট পুলিশিং এর আয়োজনে, আজ শনিবার সকাল ১০টার সময় থানা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে ইন্দুরকানী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে,
ইন্দুরকানী বাজারের ভাই ভাই সুপার মার্কেট চত্বরে গিয়ে শেষ হয় ও র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।ইন্দুরকানী থানার সিনিয়র এস আই অফিসার হেমায়েত উদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইন্দুরকানী থানা অফিসার ইনর্চাজ হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথির হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কমুনিউটি পুলিশিং সভাপতি মাহমুদুল হক দুলাল, ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়ন আ-লীগ সাধারণ সম্পাদক আঃ আজিজ হাওলাদার, ইন্দুরকানী স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ, উপজেলা আ-লীগের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী, ইউপি সদস্য মুহিদুল ইসলাম শিকদার, নিগার সুলতানা, সাথী রানী সাহা প্রমুখ।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শ্রমিক লীগের নেতা আনিচুর রহমান আনিচ সহ উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অফিসার ইনর্চাজ বলেন শুধু আইন দিয়ে সমাজ থেকেও অপরাধ দুর করা সম্ভব নয় এর জন্য ধর্মীয় অনুসাশন ও নৈতিক শিক্ষা ছাড়া সমাজের অপরাধ কমিয়ে আনা সম্বভ নয়। এর জন্য পারিবারিক সামাজিক আন্দোলন গড়েতোলা প্রয়োজন। বিট পুলিশিং সেবার মাধ্যমে আমরা দেশের সকল মানুষের কাছে পুলিশের সেবা পৌছেদিতে চাই ।
অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্দুরকানী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এম ওবাইদুল্লাহ,
এছাড়া আরো মুল্যবান বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মাহিদুল ইসলাম শিকদার, তিনি বলেন শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজে ধর্ষণ, নারীও শিশু নির্যাতন ও অন্যায় বন্ধ করা সম্ভব নয়। “যে সমাজে মানবীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রাধান্য থাকে সে সমাজই সভ্য সমাজ”। সকলকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ ও নৈতিক শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে একযোগে ৬৯১২ টি বিট পুলিশিং কার্যালয়ের এই নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথীবৃন্দ বক্তব্যের মাঝে বলেন, তারা এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসেছেন তা সত্যিকার অর্থেই জাতির জন্য লজ্জাকর। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ও অতীতের ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানা পূর্বক দিন দিন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বেড়েই চলায় ধর্মীয় ও সামাজিক সচেতনার উপর জোর দেন বক্তারা। এছাড়াও নতুন ফাঁসির আইনের যথাযথ প্রয়োগের উদ্দ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলকপাতসহ বিদেশী অশালিন চ্যানেল দেখা থেকে বিরত ও সামাজিক মূল্যবোধের শিক্ষা অর্জন করার উপর গুরুত্বারোপ করে। এমনকি প্রয়োজন ছাড়া শিক্ষার্থীদের স্মার্ট ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য যে, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ যাবতীয় ঘটনার ক্ষেত্রে স্ব স্ব বিট পুলিশিং কার্যালয় অভিযোগ প্রদান ও সেখান থেকে সকল ধরনের সেবা নিতে বিট পুলিশিং প্রধানরা সবাই কে আহ্বান জানান।
Leave a Reply