বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ

ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ

ঠাকুরগাঁওয়ে অন্যের জায়গায় জবর দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ ইটভাটার স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার বরুনাগাঁও এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা ফাইভ স্টার ব্রিক্স নামের ইট ভাটায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন। এ সময় জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, কবলাকৃত খরিদ বাবাদ ওই জায়গার সাড়ে ২৮ শতক জমির মালিক মো: মোশারুল ইসলাম। তিনি জৈনক নুরুল হকের কাছে প্রায় ২৬ বছর আগে জমিটি খরিদ করেন এবং সেখানে রাইসমিল স্থাপন করেন।

পরবর্তীতে আবার গায়ের জোরে ওই জমি দখল করে নিয়ে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করেন নুরুল হকেরা। সেই থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে অবৈধভাবে ওই জমিতে ইটভাটা স্থাপন করে ভোগদখল করে আসছিলো তারা।
এ বিষয়ে জমির মালিক দাবি করা মো: মোশারুল ইসলাম বলেন, আমার সম্পত্তি রক্ষার জন্য কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে আমি জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেই। সমস্ত কাগজপত্রাদি জেলা প্রশাসকের নিকট পেশ করি। এর পর জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন অবৈধ দখলদার দের জায়গা খালি করার জন্য বলেন। কিন্তু তারা আইনের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধভাবে সেখানে ইটভাটা পরিচালনা করে আসছিলো।


এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মুঠোফোনে নুরুল হকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে তার বক্তব্য দেওয়া গেলোনা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, আমাদের কাছে গত বছর এমন একটি অভিযোগ ছিলো। আমরা এটা তদন্ত করে দেখি। গত বছরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার কথা ছিলো। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে সম্ভব হয়নি। এখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।


উক্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com