বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
সাটু‌রিয়াতে প্র‌তি‌কে‌জি আলু বি‌ক্রি হ‌চ্ছে ৫০ টাকায়

সাটু‌রিয়াতে প্র‌তি‌কে‌জি আলু বি‌ক্রি হ‌চ্ছে ৫০ টাকায়

সরকার নির্ধারন ক‌রে দি‌য়ে‌ছে প্র‌তি‌ কে‌জি আলুর বাজার মূল্য ৩০ টাকা। কিন্তু মা‌নিকগ‌ঞ্জের সাট‌ু‌রিয়া উপ‌জেলায় প্র‌তি‌ কে‌জি আলু বি‌ক্রি হ‌চ্ছে ৫০ টাকা দরে।
বৃহস্প্র‌তিবার দুপু‌রে মা‌নিকগঞ্জের সাটু‌রিয়ার ঐতিহ্যবাহী সাটু‌রিয়া হা‌টের স‌বজি বাজার ঘু‌রে এ চিত্র দেখা গে‌ছে।

জানা গে‌ছে, বৃহিস্প্র‌তিবার সাটু‌রিয়া হা‌টের পেয়াজ হাটায় বট তলায় ব‌সে বস‌জির হাট। স‌রেজমি‌নে গি‌য়ে দেখা গেছে প্রচুর আলুর সরবরাহ র‌য়েছে হা‌টে। বি‌ক্রেতারা ৫০ টাকা কে‌জি ধ‌রে বি‌ক্রি কর‌ছে আলু। ২ কে‌জি আলু নি‌লে দাম রাখ‌ছে ৯৫ টাকা। এর ক‌মে বি‌ক্রি কর‌ছে না আলু। ক্রেতারা আলুর দাম সরকার ৩০ টাকা নির্ধারন ক‌রে দি‌য়ে‌ছে বল‌লেও বি‌ক্রেতা‌দের দা‌বি তারা আগে বে‌শি দা‌মে ক্রয় ক‌রে‌ছে তাই বে‌শি দা‌মে বি‌ক্রি কর‌ছে।


ক‌য়েকজন আলু বি‌ক্রেতা জানায়, তারা আড়ৎদারদের কাছে থে‌কে আলু ক্রয় ক‌রে‌ছে ৪৬ টাকা কে‌জি দ‌রে। যার কার‌নে তা‌দের ৫০ টাকা কে‌জি ক‌রে বি‌ক্রি কর‌তে হ‌চ্ছে। য‌দি তারা ক‌মে কিন্তে পা‌রে ত‌বে কম দা‌মেই বি‌ক্রি কর‌বে।

হা‌টে এসে আলু কেনা ক‌য়েকজন ক্রেতা জানায় ৫০ টাকা কে‌জি ক‌রে আলু ক্রয় করে‌ছে তারা। আলু বি‌ক্রেতারা ৫০ টাকার ক‌মে আলু বি‌ক্রি করছে না। ত‌বে ২ কে‌জি আলু নি‌লে তখন দাম রাখ‌ছে ৯৫ টাকা।

উল্লেখ্য, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।
গতকাল বুধবার জানা গে‌ছে, এ নিয়ে সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সরকারি সংস্থাটি চিঠি দিয়েছে।

তিনস্তরে আলুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশে আলুর পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় খুচরাপর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা বিক্রি করতে হবে। পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা আর হিমাগার পর্যায়ে কেজি ২৩ টাকা বিক্রি করতে হবে।

প্রতি কেজি আলু খুচরা পর্যায়ে ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রির বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলেও জানিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
সম্প্রতি কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশে গত আলুর মৌসুমে প্রায় এক কোটি ৯ লাখ টন আলু উৎপাদিত হয়েছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, দেশে মোট আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ লাখ ৯ হাজার টন। এতে দেখা যায় যে, গত বছর উৎপাদিত আলু থেকে প্রায় ৩১ লাখ ৯১ হাজার টন আলু উদ্বৃত্ত থাকে। কিছু পরিমাণ আলু রফতানি হলেও ঘাটতির সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ।
আলুর মৌসুমে যখন হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে, তখন প্রতি কেজি আলুর মূল্য ছিল সর্বোচ্চ ১৪ টাকা। প্রতি কেজি আলুতে হিমাগার ভাড়া বাবদ তিন টাকা ৬৬ পয়সা, বাছাই খরচ ৪৬ পয়সা, ওয়েট লস ৮৮ পয়সা, মূলধনের সুদ ও অন্যান্য খরচ বাবদ ২ টাকা ব্যয় হয়। অর্থাৎ এক কেজি আলুর কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ের সর্বোচ্চ ২১ টাকা খরচ পড়ে।

চিঠিতে বলা হয়, সংরক্ষিত আলুর কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে বিক্রয় মূল্যের ওপর সাধারণত ২ থেকে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ এবং খুচরাপর্যায়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ যোগ করে ভোক্তার কাছে আলু বিক্রয় করা যুক্তিযুক্ত। এ ক্ষেত্রে হিমাগার পর্যায় থেকে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা মূল্যে বিক্রি করলে আলু সংরক্ষণকারীর ২ টাকা মুনাফা হয় বলে প্রতীয়মান হয়।
অন্য দিকে আড়তদারি, খাজনা ও লেবার খরচ বাবদ ৭৬ পয়সা খরচ হয়। সেই অনুযায়ী পাইকারি মূল্য (আড়ৎ পর্যায়) ২৩ টাকা ৭৭ পয়সার সঙ্গে মুনাফা যোগ করে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা দেয়া যেতে পারে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

একজন চাষির প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ হয়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা জানিয়ে এতে আরও বলা হয়, এমতাবস্থায় হিমাগার পর্যায় থেকে প্রতি কেজি আলুর মূল্য ২৩ টাকা, পাইকারি/আড়তের এর মূল্য ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩০ টাকা হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু বাজারে দেখা যাচ্ছে যে, প্রতি কেজি আলু খুচরাপর্যায়ে ৩৮ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা অযৌক্তিক ও কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তাই কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা মূল্যে খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করবেন।

সরকার নির্ধারিত মূল্যে হিমাগার, পাইকারি বিক্রেতা এবং ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতাসহ তিন পক্ষই যাতে সবজিটি বিক্রয় করেন সে জন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে ডিসিদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com