ডিমলায় আমন ধানের ক্ষেতে বাদামি গাছ ফড়িং বা কারেন্ট পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে।
গত কয়েকদিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের ধানক্ষেতে কারেন্ট পোকার সংক্রমন ঘটেছে। অনেকের জমিতে পোকার সংক্রমনে ধান শুকিয়ে যাচ্ছে এবং অনেকের জমিতে আক্রমন শুরু করেছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। এ পোকার আক্রমণ ও বন্যার ক্ষতিতে চলতি আমন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ডিমলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, উপজেলায় এ বছর উনিশ হাজার নয়শত ষাট হেক্টর জমিতে ধান রোপন করা হয়েছে। বন্যায় একশত উনত্রিশ হেক্টর জমির ধান নস্ট হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। উপজেলায় প্রায় এক হাজার বিশ জন কৃষককে পুনর্বাসনের আওতায় আনার পরিকল্পনা চলছে। এ রোগে সংক্রমিত ফসল পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সেকেন্দার আলী।
তথ্য সংগ্রহে দেখা যায়, ডিমলা বোচাগাড়ী পাড়ের কৃষক শরৎচন্দ্র সরকার দুলাল বলেন, কৃষি অফিসের মাঠকর্মীদের দেখা মিলছে না। গত কয়েকদিনে কৃষি অফিসের কাউকে দেখা যায়নি।
ডিমলা ঈদগাহ ময়দান পাড়ার মাওলানা মশিউর রহমান বলেন, আমার এলাকায় কারেন্ট পোকা আক্রমন করেছে, কৃষি বিভাগ কোন তদারকি করছে না।
গয়াবাড়ী ইউনিয়নের ফুটানির হাটের কৃষক আখতারুজ্জামান ডনি বলেন, আমি ২৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি, কারেন্ট পোকার আক্রমন হয়েছে, কৃষি বিভাগের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তাদের কাছ থেকে কোন পরামর্শ বা সহযোগিতা পাচ্ছি না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কৃষকদের আপদকালীন এ সময়ে ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ২৫ জন উপঃ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং স্কোয়াড টিম গঠনের মাধ্যমে কৃষি পরামর্শ, লিফলেট বিতরন এবং দলীয় আলোচনা করা হচ্ছে।
Leave a Reply