নির্বিকার পৌর মেয়র ও তার দপ্তর
ফরিদপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পোস্ট অফিসের মোড় (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে) থেকে স্টেশন রোড, গুহ লক্ষ্মীপুর ও ভাটী লক্ষ্মীপুর, হয়ে টেপাখোলা গরুর হাট ( সরকারি ইয়াছিন কলেজের সামনে) পর্যন্ত সড়কটির (মেজর তোয়ায়েল সড়ক) প্রায় দুই বছর যাবৎ এমন বেহাল দশা! সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই পৌর কর্তৃপক্ষের! অথচ উল্লেখিত সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াতকারী ফরিদপুর পৌরসভার বর্ধিত ১৭, ১৮ ও ১৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত বৃহত্তর ল²ীপুর বাসীর চলাচলের এবং শহরের পার্শ্ববর্তী অম্বিকাপুর ও চরমাধবাদিয়া ইউনিয়নের জনসাধারণের শহরে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি অধিকাংশ স্থানে ড্রেন না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে গভীর গর্তের সৃষ্টি , অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল এবং সড়কটি দিয়ে ১০ চাকার ট্রাকে (যা এই সড়কদিয়ে চলাচলের উপযোগি নয়) ফরিদপুর রেল স্ট্রেশনে ভারত থেকে আসা আমাদানিকৃত পাথর দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করায় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে চলাচলের প্রায় অনুপোযোগি হয়ে পরেছে।
ফলে প্রতিদিন এই সড়কটি দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় লক্ষাধীক মানুষ ও তাদের বহনকরা যানবাহনকে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ! সড়টি সংস্কারের বিষয়ে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ঠ ওয়ার্ডের কাউন্সিলারদের অযোগ্যতার কারণে এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে সড়কটি মেরামতের জন্য পৌরসভার মেয়র ও পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট বার বার আবেদন করা হলেও পৌর মেয়র ও সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের কর্মকর্তারা এইতো কাজ শুরু হবে বা হচ্ছে বলে প্রায় দুই বছর যাবৎ আশ^াসের বাণী শুনিয়েই যাচ্ছে, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হেচ্ছে না! যদিও সংস্কারের নামে মেয়রের পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে অনেকদিন পর পর বেশী গর্তের জায়াগ গুলোতে শুধুমাত্র অল্পকিছু খোয়া দিয়ে রোলার ডলে যায়, যা সামান্য বৃষ্টি হলেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়!
তাই এই সড়কটি দিয়ে যাতায়াতকারীরা পৌর মেয়রের প্রতি তিব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ আমরা আর মেয়রের কোন আশ্বাসের বাণী বিশ্বাস করি না, অবিলম্বে রাস্তাটি মেরামত কাজ শুরু করা হয়েছে তা দেখতে চাই”।
Leave a Reply