বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
পটুয়াখালীতে নামের মিল থাকায় বিনাদোষে ৮ দিন কারাভোগের পর সেই বৃদ্ধের মুক্তি!

পটুয়াখালীতে নামের মিল থাকায় বিনাদোষে ৮ দিন কারাভোগের পর সেই বৃদ্ধের মুক্তি!

পটুয়াখালী গলাচিপায় নামের মিল থাকায় ৮০ বছরের নিরপরাধ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নামে এক বৃদ্ধকে জেল খাটতে হচ্ছে।

গলাচিপা শহরের কলেজ পাড়ার বনানী এলাকার ওই বৃদ্ধকে ৪ অক্টোবর একটি চেক ডিজ অনার মামলায় গলাচিপা থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল খানায় পাঠিয়ে দেয়। ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক দায়েরকৃত একটি মামলায় পটুয়াখালীর যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালত মো. হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের কারাদন্ড ও ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার অর্থ দন্ডের নির্দেশ দেয়। মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গলাচিপা থানা সংলগ্ন সদর রোডের ‘নাহার গার্মেন্টস‘র মালিক মো. হাবিবুর রহমান,

পিতা- নূর মোহাম্মাদ মাষ্টার, মুজিব নগর রোড, গলাচিপা পৌর শহরের বাসিন্দা ৬ আগস্ট ২০১২ তারিখ ব্র্যাক থেকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি ব্র্যাকের অনুকূলে উত্তরা ব্যাংক গলাচিপা শাখায় তার নিজস্ব একাউন্টের (হিসাব নং ২২০০) ঋণের সমপিরমান অর্থের একটি চেক জমা দেন। কিন্তু তিনি ওই ঋণ যথাসময়ে পরিশোধ না করায় ব্র্যাক কর্তৃপক্ষ হাবিবুর রহমানের জমাকৃত চেকটি ১০এপ্রিল ২০১৩ ওই ব্যাংকে জমা দিলে তাতে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তা ডিজ অনার হয়। পরে ব্রাক কর্তৃপক্ষ ২ মে ২০১৩ তারিখে তাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠায়। কিন্তু তিনি ব্রাক থেকে ঋণ গ্রহণ করেননি মর্মে ১৯জুন ২০১৩ তারিখ লিখিতভাবে ব্র্যাক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে তারা ঋণ গ্রহিতা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় পটুয়াখালীর যুগ্ম দায়রা জজ জিন্নাৎ জাহান ঝুনু ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ রায় দেন। রায়ে মো. হাবিবুর রহমানকে ১ বছরের কারাদন্ড ও ঋণের দ্বিগুন অর্থ অর্থাৎ ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দেন। রায়ের দিন ঋণ গ্রহিতা মো.হাবিবুর রহমান আদালতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ওই গ্রেফতারি পরোয়ানা অনুযায়ী গলাচিপা থানার সহকারি পরিদর্শক (এএসআই) আল-আমিন শুধুমাত্র নামের মিল থাকায় গলাচিপা বনানী এলাকার ৮০ বছরের বৃদ্ধ হাবিবুর রহমানকে ৪ অক্টোবর দুপুরে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে এবং ওই দিনই তাকে পটুয়াখালী কারাগারে পাঠায়। সাজাভোগকরা হাবিবুর রহমানের পিতার নাম নূর মোহাম্মাদ পন্ডিত। এদিকে ঋণ গ্রহিতা হাবিবুর রহমান প্রায় ৫ বছর আগে গলাচিপা থানা সংলগ্ন সদর রোড থেকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুটিয়ে শহরের মহিলা কলেজ সড়কে নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। তিনি ব্যবসার ধরণ পাল্টে এখন মুদি-মনোহরি ব্যবসা শুরু করেন। এ ব্যাপারে জেলে থাকা হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. আবু সালেহ বলেন,

“আমার বাবা সদর রোডে কোন দিন ব্যবসা করেননি আর আমরা কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণও গ্রহন করিনি। আমারা দুই ভাই ঢাকায় গার্মেন্টেস‘এ চাকুরি করি। বাবা-মার ভরণ-পোষনের জন্য প্রতি মাসে টাকা পাঠাই। তা দিয়ে তারা বসবাস করে। পুলিশকে বিষয়টি বলা হয়েছিল কিন্তু তারা শোনেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com