দুইশ টাকায় ঠেকেছে কাঁচামরিচের কেজি, পঞ্চাশ টাকার নিচে মিলছে না শাকের আঁটি। প্রতি পিস পেঁপে ও চাল কুমড়া চল্লিশ টাকায় মিললেও গাইবান্ধার পুরাতন বাজারে প্রকার ভেদে ষাট থেকে একশ চল্লিশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সবজি। এ জন্য ব্যবসায়ীরা বন্যার দোহাই দিলেও সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন ভোক্তারা।২০০ টাকায় ঠেকেছে কাঁচামরিচের কেজি, পঞ্চাশ টাকার নিচে মিলছে না শাকের আঁটি। প্রতি পিস পেঁপে ও চাল কুমড়া চল্লিশ টাকায় মিললেও গাইবান্ধার পুরাতন বাজারে প্রকার ভেদে ষাট থেকে একশ চল্লিশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সবজি। এ জন্য ব্যবসায়ীরা বন্যার দোহাই দিলেও সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন ভোক্তারা।
শহরের বাসিন্দা মামুনুর রশিদ। মাছ মাংস বাদে সবজির জন্য তার শুক্রবারের বরাদ্দ ছিল তিনশ টাকা। আটশ টাকাতেও ব্যাগের তলানিতে শাকসবজি। বাজারে মধ্যবিত্তদের যখন ঘাম ছুটছে তখন নিম্নবিত্তদের অবস্থা আরও করুণ।
ক্রেতা বলেন, আগে সবজি এককেজির নিচে কিনতাম না। যে দাম বাড়ছে তা দ্বিগুণ হয়ে গেছে।দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, পরপর চারদফা বন্যায় শাক-সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়েছে, ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম।
ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারের সরবরাহ কমে থাকায় সবজির দাম কমতেছে না। প্রতিদিন দাম উর্ধ্বমূখী।
এ অবস্থায় অজুহাত খাড়া করার পেছনে কোন সিন্ডিকেট আছে কি না খতিয়ে দেখার দাবি সচেতন মহলের।
গাইবান্ধা নাগরিক পরিষদ সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, বাজার যে মুহূর্তের মধ্যে উর্ধ্বগতি হয়ে যায়, এটা কেন হচ্ছে, তার খতিয়ে দেখা দরকার।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় এবার পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে শাক সবজির আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে বন্যায় নষ্ট হয়েছে ৪৬২ হেক্টর সবজি ক্ষেত।
Leave a Reply