শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রাণীশংকৈলে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন

রাণীশংকৈলে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের ঘনস্যামপুর কালিতলা ঘাট কুলিক নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে রাতের আধাঁরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পাওয়া গেছে । ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে । উপজেলা ঘনশ্যামপুর কালী মন্দির এলাকায় প্রায় এক লক্ষ টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন করে জমিয়ে রাখা হয়েছে ।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে ঐ এলাকার এক প্রভাবশালী ভাটা মালিক ও বালু ব্যবসায়ী নুর-নবী রাতের আধাঁরে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে এ বালু উত্তোলন করেছেন। আবার ভোর রাতে মেশিন সরিয়ে রাখেন। স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিন প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে কুলিক নদীর বালু উত্তোলন করছেন নুরনবী।

এ সময় নদীতে মাছ ধরতে আসা হেমন্ত রায় ও দীপঙ্কর রায় অভিযোগ করে বলেন নুরনবী দীর্ঘদিন থেকে এই নদীতে বালু উত্তোলনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন । সেইসাথে নিজ ভাটার বালুর চাহিদা মিটিয়ে প্রতিগাড়ি বালু ৯০০ টাকায় বিক্রি করছেন । দেখা গেছে বালু তোলার কারণে নদীর আরেক পাশে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশান ঘাটটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এমন অভিযোগ করেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন । এছাড়াও বিভিন্ন বালু ব্যবসায়ী কুলিক নদীর বিভিন্ন স্থানে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর অনেক জায়গায় গভীর গর্ত হয়ে গেছে। এর ফলে এসব স্থানে কয়েকজন জলডুবি হয়ে মৃত্য বরণও করেছেন বলে এলাকার এক মুরুব্বী জানান।

এ দিকে বালু ব্যবসায়ী নুরনবীর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন এই বালুটি আমার আগের তোলা । তবে স্থানীয়রা বলছেন তিনি প্রতিনিয়ত এই নদী থেকেই বালু উত্তোলন করেছেন ।

রানীশংকৈল উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) অমিত সাহা বলেন নদী থেকে অবৈধভাবে কেউ বালু উত্তোলন করে থাকলে সরকারি বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com