মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ? মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
যশোরে ৮ দিনে ৪ খুন

যশোরে ৮ দিনে ৪ খুন

গত আট দিনে যশোরে চার জন খুন হয়েছেন।এরমধ্যে যশোরের চৌগাছায় পরকীয়া, অভয়নগরে মুক্তিপণ দাবি, যশোর শহরে মাদক ব্যবসা ও সদর উপজেলায় পাওয়া টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে খুনের ঘটনাগুলো ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ ২টি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আটক করেছে। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, খুনের ঘটনাগুলো সোশ্যাল ক্রাইম। ফলে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির  কারণ  মনে করছি না।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে শুক্রবার চৌগাছা থানা পুলিশ উপজেলার বেড়গোবিন্দপুর বাঁওড়ের নাটনার খাল এলাকা থেকে বিপুল হোসেন (৪২) নামে এক যুবকের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, নিখোঁজের দুই দিন পর তার মৃতদেহ দেখতে পেলেন তারা। বিপুল স্বরুপদাহ ইউনিয়নের ছোট কাকুরিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল হকের ছেলে।
চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিফাত খান রাজীব নিহত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, বুধবার প্রতিবেশী সবুজ ও তার দুলাভাই রফিকুল গরু কিনতে যাওয়ার কথা বলে বিপুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে বিপুল নিখোঁজ ছিলো। শুক্রবার তার বস্তাবন্দি মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ওসি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে  সবুজের মায়ের সাথে পরকীয়ার জেরে সবুজ ও তার দুলাভাই রফিকুল মিলে বিপুলকে হত্যা করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।  

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অভয়নগরে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত কলেজছাত্র নুরুজ্জামান বাবুর (২০) মৃতদেহ পুড়াখালী বাঁওড়ের কচুরিপনার নিচ থেকে উদ্ধার হয়। বাবু পুড়াখালী গ্রামের ইমরান গাজীর ছেলে। তিনি উপজেলার ধোপাদী এসএস কলেজ থেকে এবারের বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিলেন। স্বজনরা জানিয়েছেন, গত সোমবার রাতে প্রতিবেশী রিফাত হোসেন আউশ তাকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে বাবু নিখোঁজ ছিলেন। পরের দিন বিকেলে পিতা ইমরান গাজী অভয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রাতে নুরুজ্জামানের মোবাইল নম্বর থেকে ইমরান গাজীকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পুরিশ ঞটনাটি জানেতে পেরে অপহরণকারী সন্দেহে রিফাত হোসেন আউশ (১৯) ও আবদুর রাজ্জাককে (৫৫) আটক করে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী কচুরিপনার মধ্যে থেকে বাবুর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে পুলিশ আউশ ও রাজ্জাককে আদালতে প্রেরণ করে। আদালত তাদের দুইজনকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।  

শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় যশোর স্টেডিয়ামপাড়ায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নির্মাণ শ্রমিক আল-মামুন (২৯) খুন হন। তিনি খড়কী স্টেডিয়ামপাড়ার বুলুর বাড়ির ভাড়াটিয়া আবুল বাশারের ছেলে। মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ তাকে খুন করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (অপারেশনস) শেখ আবু হেনা মিলন জানান, এই পর্যন্ত পুলিশ ৪ আসামিকে আটক করেছে। তারা হলো শহরের ধর্মতলার ওহেদ আলীর ছেলে সিয়াম ওরফে ব্লাক সিয়াম, ধর্মতলা কদমতলার আসাদের ছেলে মাহিম খড়কি কলেজপাড়ার মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে ইসমাইল স্টেডিয়ামপাড়ার বিপ্লব। ৪ জনের মধ্যে ৩ জন  খুনের সাখে জড়িত বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। অন্য আসামিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। 

৩০ মে (শনিবার) যশোর সদর উপজেলার মনোহরপুর যোগীপাড়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে রুবেল হোসেন (২৮) এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে জখম করে দুর্বৃত্তরা। তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন ৩১ মে মারা যান রুবেল। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।  ১ জুন নিহতের পিতা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। পাওনা টাকা চাইতে গেলে আসামিরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। খুনের ঘটনায় এখনো কোন আসামিকে আটক করতে পারিনী পুলিশ। এসব বিষয়ে কথা হলে কোন মন্তব্য করেননি যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) তৌহিদুল ইসলাম।  মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল)  গোলাম রব্বানী শেখ জানিয়েছেন, যশোরের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। চরমপন্থি, সন্ত্রাসী বা  ছিনতাইকারীদের হাতে আপাতত কোন খুনের ঘটনা নেই। এছাড়া রাজনৈতিক কোন্দলে কেউ খুন হচ্ছেনা। গত ৮ দিনে যশোর জেলায় ৪ জন খুন হয়েছেন সেগুলো সোশ্যাল ক্রাইমের কারণে। সমাজের নৈতিক অবক্ষয় এর জন্য দায়ী।  এখানে পুলিশের কি করার আছে।  তারপরেও ঘটনাগুলো গুরুত্বের সাথে দেখছে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com