বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
আগামীকাল ‘গাজীপুরের নদ-নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ’ বিষয়ে ভার্চুয়াল গোলটেবিল বৈঠক

আগামীকাল ‘গাজীপুরের নদ-নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ’ বিষয়ে ভার্চুয়াল গোলটেবিল বৈঠক

বাংলাদেশের রিভার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল, রিভার এন্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার, গাজীপুর নাগরিক ফোরাম ও নদী বিষয়ক পত্রিকা রিভার বাংলা’র যৌথ আয়োজনে আগামীকাল সোমবার. বিকাল ৩.৩০টায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘নদ-নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ: প্রেক্ষিত গাজীপুর’ বিশেষ ভার্চুয়াল গোলটেবিল বৈঠক।

উক্ত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান পরিবেশবিদ মুকিত মজুমদার বাবু’র সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মনির হোসেন।

আরো বক্তব্য রাখবেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক অসীম বিভাকর, কলাম্বিয়া ওয়াশিং প্ল্যান্ট লিমিটেডের মানবসম্পদ ও প্রকৌশল প্রধান মেজর (অব) মো: ইমতিয়াজ ইসলাম, রিভার এন্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ,

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শেখ মোজাহিদ, পরিবেশ ও সংস্কৃতি কর্মী লিয়াকত চৌধুরী, গাজীপুর নাগরিক ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সহসভাপতি মুহাম্মদ মোশারফ হোসেন, চিলাই নদী সংরক্ষণ কমিটির সমন্বয়কারী ফরিদ উদ্দিন সোহেল, লবনদহ নদ সংরক্ষণ কমিটির সমন্বয়কারী সাঈদ চৌধুরী ও নদী পরিব্রাজক দল কালীগঞ্জ শাখার সভাপতি আব্দুর রহমান আরমান।আর গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করবেন মেডিকেল শিক্ষার্থী ও সমাজ উন্নয়ন কর্মী শাহ্জিয়া শাহ্রিন আনিকা।

গোলটেবিল বৈঠকটি সরাসরি দেখতে পারবেন রিভারফ্লিক্স ইউটিউব চ্যানেলে। জানা গেছে, এক সময়কার বিল-ঝিল ও নদ-নদীতে পরিপূর্ণ এবং ঘন জঙ্গলে ঘেরা ভাওয়াল পরগণাই আজকের গাজীপুর। যা জলজ ও স্থলজ জীববৈচিত্র্যের শৌর্যে বীর্যে সমৃদ্ধ ছিল। জল আর বনের আধিক্য গাজীপুরের সুস্থ প্রকৃতি ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিত। কিন্তু অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারনে সুস্থ প্রকৃতির সকল অনুসঙ্গ আজ প্রায় হারাতে বসেছে।গাজীপুরের রয়েছে শত শত বছরের নিজস্ব ঐতিহ্য ও ইতিহাস। গাজীপুর একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ।

৫টি প্রশাসনিক থানা, ৪৪টি ইউনিয়ন, ১১৬২টি মৌজা ও ১১৪৬টি গ্রাম সমন্বয়ে এক হাজার আটশ দশমিক চার সাত বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট নবসৃষ্ট একটি জেলা। ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুরের জেলা হিসেবে যাত্রা শুরু। এর আগে ১৯৭৮ সালে ১৮ ডিসেম্বর গাজীপুর উন্নীত হয় মহকুমায়। কিন্তু জেলা হিসেবে নতুন হলেও এর রয়েছে সমৃদ্ধ ও কালোত্তীর্ণ ইতিহাস এবং ঐতিহ্য। মহকুমা এবং জেলা হিসেবে উন্নীত হওয়ার আগে এলাকাটির নাম ছিল জয়দেবপুর।অনেক নদ-নদী হারিয়ে যাওয়ার পরও এখন পর্যন্ত গাজীপুরে ১৫টি নদ-নদীর অস্থিত্ব পাওয়া গেছে।

রয়েছে অসংখ্য খাল ও বিল। এর মধ্যে মকস বিল, বেলাই বিল, রাজাবাড়ি বিল, খাতিয়া বিল, মাধুলী বিল ও মাছুরাঙ্গ বিল উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া পুকুর, দিঘী, নালা, ডোবা মিলে প্রায় দেড় লক্ষ হেক্টর নিচু জমি রয়েছে। আর এগুলো সংরক্ষণের মাধ্যমে আমাদের অতীতের ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে পারি।গড়তে পারি সুস্থ প্রকৃতি, পরিবেশ ও উন্নত জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ গাজীপুর।আর এ লক্ষেই হতে যাচ্ছে ‘নদ-নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ: প্রেক্ষিত গাজীপুর’ বিশেষ ভার্চুয়াল গোলটেবিল বৈঠক।

এ বিষয়ে আয়োজক কমিটির আহবায়ক প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান প্রধান বলেন, এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন বাস্তবায়নকারী সংস্থা, মন্ত্রণালয়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, সিভিল সোসাইটি, নদী ও পরিবেশ কর্মী এবং নদী পাড়ের মানুষদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তুলতে চাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com