বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
করোনার কারণে জয়দেবপুরে থামে না ট্রেন জংশনটিকে যেন প্রাণহীন

করোনার কারণে জয়দেবপুরে থামে না ট্রেন জংশনটিকে যেন প্রাণহীন

গাজীপুর জেলা শহরে প্রাণকেন্দ্রে জংদেবপুর জংশন। দিনরাত এ জংশনে থাকতো হাজারো যাত্রীর সমাগম। করোনার কারণে এ জংশনে এখন কোন ট্রেন থামে না। তাই জংশনে যাত্রীদের আনাগোনা নেই। করোনা জংশনটিকে করে দিয়েছে প্রাণহীন।শিল্পশহর গাজীপুরে দেশের প্রায় সব জেলার লোক বাস করে। সড়ক পথের পাশাপাশি এ জেলার রেলপথগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমঞ্চলের, এমনকি ভারতগামী মৈত্রী ট্রেনও জয়দেবপুর জংশন হয়ে চলাচল করত। কম খরচে ও সময়ে ট্রেনে যাতায়ত করা যায় বলে এ জংশনে প্রায় সবসময় দেখা যেত হাজার হাজার যাত্রীর ভিড়।

লোক সমাগম বেশি থাকায় জংশন ঘিরে দোকানপাট, রিকশাস্ট্যান্ড গড়ে উঠেছিল। কুলি, হকার, দিনমুজুরের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকতো ২৪ ঘণ্টা। থাকত রাত-দিন ব্যস্ততা। কিন্ত করোনা এ জংশনের সে ব্যস্ততা কেড়ে নিয়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, জংশনের টিকিট কাউন্টার, বিশ্রামগার ফাঁকা। নেই কুলি বা হকার। জংশনের এখানে সেখানে স্থানীয় দু-চার জন গল্প করে বা আড্ডা দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন।

স্টেশনের দোকানপাট খোলা থাকলেও আগের মতো বিক্রি নেই বলে জানা গেছে।জংশনের ভেতর উত্তর পাশে থাকা মান্নান স্টোরের কর্মচারী আরিফ জানায়, আগে সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত তার দোকান খোলা রাখা হতো। প্রতিদিন বিক্রি হতো ৫/৬ হাজার টাকা।

করোনার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা জংশনে আসেন না। স্থানীয়রা এ পথে পাশ্ববর্তী জয়দেবপুর বাজারে যাওয়া আসা করে। এখন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিক্রি হয় আটশ থেকে এক হাজর টাকার মতো আর ক্রেতা স্থানীয়রা।

গাজীপুর প্যাসেঞ্জারস কমিউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সিরাজ উদ দৌলা জানান, আগে জয়দেবপুর জংশন দিয়ে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল এবং মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনসহ প্রতিদিন (২৪ ঘণ্টায়) গড়ে ৭০/৭২টি ট্রেন, অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৩টা ট্রেন চলাচল করত। জংশনে এলে অল্প সময়ের ব্যবধানে ট্রেন পাওয়া যেত, তাই সব সময়ই জংশনে যাত্রীদের ভিড় লেগে থাকত।তিনি বলেন, জংশন দিয়ে আগে ১৫/১৬ হাজার যাত্রী যাতায়ত করতেন।

এর মধ্যে মাসিক টিকিটধারী যাত্রী ছিল চার হাজারের বেশি।জয়দেবপুর জংশনের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার মো. শাহজাহান জানান, অন্যসময় প্রতিদিন এ জংশন দিয়ে আপ-ডাউন মিলিয়ে ৭০টি ট্রেন চলাচল করত। বর্তমানে এ জংশন দিয়ে ১১টি চলাচল করে। তবে কোন ট্রেনই এ স্টেশনের স্টপেজ দেয় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com