ডেস্ক রিপোর্ট:
শিক্ষক সংকট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ও জরাজীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। রাজধানী প্যারিস থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন দেশটির বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শুক্রবার (২ অক্টোবর) প্রায় ৪০০ হাইস্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।
স্ট্রাসবার্গ, মার্সেই, রেন ও প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দাঙ্গা পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। কোথাও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, আবার কোথাও পুলিশকে লক্ষ্য করে আতশবাজি ও বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসসহ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বছরের পর বছর পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হওয়ায় অনেক স্কুলে শিক্ষক ও কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। শ্রেণিকক্ষে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী, দীর্ঘ ক্লাসসূচি এবং পুরোনো অবকাঠামোর কারণেও তাদের ক্ষোভ বাড়ছে।
বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষকে আটক করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষা-কর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের সহিংসতা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে ফরাসি সরকার। একই সঙ্গে আন্দোলনে বহিরাগতদের ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে। কয়েকটি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে ফ্রান্সের এই ছাত্র আন্দোলনের প্রভাব প্রতিবেশী বেলজিয়ামেও দেখা দিতে শুরু করেছে।
Leave a Reply