ডেস্ক রিপোর্ট:
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি আগের হামলায় আহত হওয়ার পর তেহরানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেই হাসপাতালেও হামলা হলে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল—এমন দাবি করেছেন ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের সদস্য মহসেন হায়দারি।
হায়দারির ভাষ্য অনুযায়ী, মোজতবা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তেহরানের তিনটি হাসপাতাল হামলার শিকার হয়। তিনি যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সেটিও আক্রান্ত হলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে নিরাপত্তার কারণে তাকে অজ্ঞাত একটি স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে হামলা ও উদ্ধারের এই বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হায়দারি আরও দাবি করেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের কোমের সচিবালয়ও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। সেখানে আটজন নিহত হন এবং নেতা নির্বাচনসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে যায়। এরপর নিরাপত্তার স্বার্থে গোপন স্থানে ভোটের ব্যবস্থা করা হয়।
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ৫৯ ভোটের মধ্যে ৫০ ভোট পেয়ে মোজতবা খামেনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি পান ৮ ভোট এবং একজন ভোটদানে বিরত থাকেন। তবে ভোটের সংখ্যা ও নির্বাচনপ্রক্রিয়ার কিছু বিবরণ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।
এদিকে মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা থাকলেও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি দাবি করেছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।
Leave a Reply