ডেস্ক রিপোর্ট:
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন জুবাইদা খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
শনিবার ঢাকায় পাওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন আইরিন খান। এর মাধ্যমে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
এর আগে গত ৮ জুলাই সরকার আইরিন খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের রয়েছে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল’ অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক ছিলেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়েও (ইউএনএইচসিআর) ২১ বছর কাজ করেছেন আইরিন খান। কর্মজীবনে তিনি ভারতে চিফ অব মিশন এবং ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্রটেকশনের উপ-পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য ২০০৬ সালে তিনি সিডনি পিস প্রাইজ লাভ করেন। আইরিন খান ‘দ্য আনহার্ড ট্রুথ: পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ বইটির লেখক। তিনি ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও হার্ভার্ড ল’ স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
Leave a Reply