ডেস্ক রিপোর্ট:
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়া এখন খ্যাতির বিড়ম্বনায় অতিষ্ঠ। তার ভাষায়, জনপ্রিয়তা তার জীবন পুরোপুরি বদলে দিয়েছে, তবে সেই পরিবর্তনের বেশিরভাগই নেতিবাচক। সুযোগ পেলে বর্তমান তারকাখ্যাতির বদলে আগের সাধারণ জীবনই বেছে নিতেন তিনি।
বিশ্বকাপের আগে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শ্যাভেসে খেলতেন ভোজিনিয়া। বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে সাতটি দুর্দান্ত সেভ করে আলোচনায় উঠে আসেন তিনি। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। মাত্র ৫০ হাজার থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়; প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে সেই সংখ্যা ২ কোটি ৮০ লাখের বেশি।
বিশ্বকাপ শেষে চিলির ক্লাব কোলো কোলোতে যোগ দেন এই গোলকিপার। কিন্তু মাঠের সাফল্য ও বিপুল জনপ্রিয়তার পাশাপাশি হারাতে হয়েছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা। বাইরে বের হলে কিংবা রেস্তোরাঁয় গেলেই ছবি ও অটোগ্রাফের আবদার আসে। এমনকি অনেকে গোপনে তার ভিডিও ধারণ করেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জনপ্রিয়তার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডও তাকে নিজেদের প্রচারণায় যুক্ত করতে চাইছে। তবে ভোজিনিয়া জানিয়েছেন, তামাক, অ্যালকোহল কিংবা বেটিং সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে চান না তিনি।
তারকাখ্যাতির আগের জীবন এবং বর্তমান জীবনের মধ্যে একটি বেছে নিতে বলা হলে ভোজিনিয়ার পছন্দ পরিষ্কার—তিনি ফিরে যেতে চান আগের জীবনেই।
Leave a Reply