শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১
পরিবহন মিস্ত্রীকে গুলি করে হত্যা, হত্যাকারী গ্রেপ্তার  

পরিবহন মিস্ত্রীকে গুলি করে হত্যা, হত্যাকারী গ্রেপ্তার  

নিজস্ব প্রতিবেদক : মিনাজুল ইসলাম অয়ন

সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকায় মো. শাহীন (২৬) নামের পরিবহন মিস্ত্রিকে জনসম্মুখে গুলি করে হত্যা করা হয়। এঘটনায় অভিযান পরিচালনা করে মেহেদী হাসান (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগেও মেহেদী হাসান আব্দুর রশিদ নামের এক ব্যক্তিকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। 

শুক্রবার (২৩ মে) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোতাছিম বিল্লাহ। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় গাজীপুরের টঙ্গী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ জানায়, গত ২৯ মে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আরিচামুখী লেন সংলগ্ন ব্যাংক কলোনি এলাকায় শাহীনকে গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যায় মেহেদী। এঘটনায় নিহতের স্ত্রী মারিয়া আক্তার মিতু বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করলে পাশাপাশি ছায়াতদন্ত শুরু করে র‍্যাব-৪। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের টঙ্গী থানা এলাকার একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

স্থানীয়রা জানান, ব্যাংক কলোনি এলাকায় বরুনের গ্যারেজে পরিবহনে রং মিস্ত্রীর কাজ করতেন শাহীন। সেই গ্যারেজে প্রায়ই মাদক ও জুয়ার আসর বসতো। যে আসরে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন মেহেদী। সেখানেই শাহীনের সাথে কথা-কাটাকাটির জেরে বিরোধ হয় মেহেদীর। পরে শাহীনকে জনসম্মুখে গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাভারের ছায়াবিথীর এক ব্যক্তি বলেন, ১৯৯২ সালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন একটি মাঠে (বর্তমান আল-মুসলিম পোশাক কারখানা) যাত্রা চলাকালীন সময়ে সাভারের বিরুলিয়ার আব্দুর রশিদ নামের এক ব্যক্তিকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেন মেহেদী। তবে ক্ষমতা আর কৌশলে মামলায় আপোষ করে হত্যার দায় থেকে মুক্তি পান তিনি। তখন থেকেই মেহেদী অস্ত্র ব্যবহার করে আসছেন। তিনি কোন পেশায় জড়িত ছিলেন না। তার পেশা ছিল মাদকসেবন ও জুয়া খেলা।

গ্রেপ্তার মেহেদী হাসানের ভাই জাহিদ হাসান বলেন, আমার ভাই মেহেদী হাসানকে টঙ্গীর তারগাছ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। আমার ভাই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কি না জানি না। তবে তাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমার ভাই বাংলাদেশ চলচিত্র সমিতির সদস্য ও সাভার প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই সময় দৈনিক আল মোজাদ্দেদ প্রত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন।

সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, মেহেদীকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার মেহেদীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘটনার পরপর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষন করা হয়। ফুটেজে দেখা যায়, সাদা গেঞ্জি পরা এক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে হেঁটে পালিয়ে যাচ্ছেন। তদন্ত করে জানা যায় সেই ব্যক্তিই মেহেদী হাসান। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারী তিনি নিজেই।

এব্যাপারে সিপিসি-২, র‍্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর জালিস মাহমুদ খাঁন বলেন, গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে টঙ্গী এলাকা থেকে মেহেদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং শুক্রবার দুপুর সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বা. বু. ম : অয়ন

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com