বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন পারমাণবিক সাবমেরিন

মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন পারমাণবিক সাবমেরিন

গত ৫ নভেম্বর ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন অঞ্চলে একটি ওহাইও-ক্লাস সাবমেরিন এসে পৌঁছেছে।
গত ৫ নভেম্বর ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন অঞ্চলে একটি ওহাইও-ক্লাস সাবমেরিন এসে পৌঁছেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক-

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনের মধ্যে দেশটিকে সহায়তায় এর আগেই বিমানবাহী রণতরীসহ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন অঞ্চলে একটি ওহাইও-ক্লাস সাবমেরিন এসে পৌঁছেছে।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের অস্থান মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও এর আশপাশের ২১ দেশের সীমানায় বিস্তৃত। 

প্রায় ১৯ হাজার টন ওজনের ওহিও-ক্লাস সাবমেরিনগুলো মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত সবচেয়ে বড় সাবমেরিন এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সাবমেরিন। পারমাণবিক শক্তিতে চালিত এই সাবমেরিন ১৪টি পারমাণবিক ব্যালিস্টিক মিসাইল বহন করে। এর রয়েছে চারটি টর্পেডো টিউব, যা দিয়ে ক্রুজ মিসাইলও ছোড়া যায়। 

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরী পাঠায়। গাজার নিয়ন্ত্রক হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর পরপরই মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এবং এর সঙ্গে থাকা অন্য যুদ্ধজাহাজগুলোকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ইসরায়েল উপকূলে পাঠায় তারা। এরপর আরেক মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আইজেনহাওয়ার এবং এর বহরে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোও  ইসরায়েল উপকূলে মোতায়েন করে পেন্টাগন।

হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধকে আরও প্রসারিত করার যে কোনো প্রচেষ্টা ঠেকাতে এবং ইসরায়েলবিরোধী যেকোনো পদক্ষেপ নিবৃত করতে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধজাহাজগুলোকে মোতায়েন করেছে বলে জানানো হয়েছিল।

আল-আকসা মসজিদের মুসল্লিদের ওপর অত্যাচারের জবাব দিতে গত ৭ অক্টোবর ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ শুরু করে হামাস। হামাসের এই হামলায়  কমপক্ষে দেড় হাজার ইসরায়েলি নিহত হয়। আহত হয় আরও চার হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি। এছাড়া সামরিক-বেসামরিক মিলিয়ে আরও প্রায় আড়াইশ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস যোদ্ধারা।

এই হামলার জবাবে গাজা উপত্যকায় ব্যাপক আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল। নির্বিচার এই হামলায় এখন পর্যন্ত সাড়ে ৯ হাজার ৭৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি নারী ও শিশু।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com