মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খ্যাতিই কেড়ে নিল ভোজিনিয়ার শান্তি হাসপাতালেও হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার খামেনি পিওএস ছাড়াই স্মার্টফোনে নেওয়া যাবে কার্ড পেমেন্ট সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সামাজিক সুরক্ষায় আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মামলা দিয়ে নয় বছর হয়রানি

মামলা দিয়ে নয় বছর হয়রানি


কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ মিথ্যা মামলা দিয়ে নয় বছর থেকে হয়রানি করছে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৩ নং নিতাই ইউপির পানিয়ালপুকুর শাহ্পাড়া গ্রামের কলিম উদ্দিন শাহ্ এর ছেলে শহিদুল ইসলাম।

তার আপন সহোদর ভাইদের উপরসহ ১২ জনকে আসামী করে ১৩/১২/১৩ ইং তারিখে ৩০২/১৩ সালে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, নীলফামারী বরাবর একটি মামলা ভাইদের সহ বাকি আসামীদের হয়রানি করে আসছে। শহিদুল ইসলামের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিতাই, ইউপি বরাবর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, নীলফামারী থেকে  ইউপি ভূমি (ভাঃ) সরকারী কর্মকর্তা নিতাই তহশীলদারের নিকট সরজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য আদেশ দেন।

 আদালতের আদেশ ক্রমে তহশীলদার পিঃ মামলা নং-৩০২/১৩, এর তদন্ত প্রতিবেদন সরজমিনে তদন্ত পূর্বক দাখিল করার আদেশ দেন। যার প্রতিবেদন- স্বারক নং- ৭৮৬/১২, তাং- ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ই খ্রিঃ।

                        তহশীলদার তার অফিসের এম,এল,এস,এস, বিধান চন্দ্র রায় এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি ও বাদী-বিবাদীর উপস্থিতে সরজমিনে তদন্ত কালে নালিশীয় সম্পত্তি দাগে অংশ মোতাবেক ১/৬ অংশ বাদীর দখলে রয়েছে যা সকলে জানেন। কিন্তু বাদী মিথ্যা কথা বলে অতিরিক্ত জমি দখল করার পায়তারা করছে তার কাছে কোন প্রকার প্রমাণ বা কিছু নেই সে নিজে নিজে আরো জমি পাবে বলে দাবী করে। জমির  মৌজা- পানিয়ালপুকুর, জে,এল, নং- ১৪, এস,এ- খতিয়ান -৩৭, যাহার মালিক কলিম উদ্দিন শাহ্। 


নালিশী সম্পত্তির মালিক মৃত কছিম উদ্দিন শাহ্ এর ছেলে হাজি কলিম উদ্দিন শাহ্। তার ৬ জন ছেলে ও  ৯ জন কন্যা রয়েছে। সম্পত্তি কাছিম উদ্দিনের নামে ওয়াকফ্ ষ্টেটের নামে মাতোয়ালি হিসাবে নিজুক্ত আছে।বাদী শহিদুল ইসলামের কাছে কোন প্রমাণপত্র নাই। মৌখিক ভাবে তিনি দাবি করে বলেন তার পিতা জীবৎদশায় থাকাকালীন অবস্থায় কিছু সম্পত্তি ব্যাংকের লোন করেছেন এবং কিছু জমি চুক্তিপত্র প্রদান করেছেন, কিন্তু তার কথা মতে কোন প্রকার চুক্তিপত্রের টাকা ও ব্যাংকের লোন বাদীপক্ষ তার কোন প্রকার প্রমাণ বা নন জুটিশিয়াল ষ্টাম্প বা চুক্তিপত্র দেখাতে পারেনি।

তার পড়েও বাদী শহিদুল ইসলাম ক্ষ্যান্ত হননি। তার অসত উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য, পূর্ণরায় নীলফামারী জেলার, বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত,কিশোরগঞ্জ এ ২০২১ সালের ২২/১২/২১ ইং আবারো একটি মিথ্যা মামলা দ্বায়ের করেন যার মামলা নং- ২৪২/২১( কিঃ)। যেখানে কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে তার উপরে বাদী আবারো কিশোরগঞ্জ থানায় কয়েক দিন আগে আবারো একটি অভিযোগ করেছেন। একই জমির মামলা কোর্টে ও কিশোরগঞ্জ থানায় দিয়েছেন। এভাবে বাদী সব সময় তার পরিবারের ও অন্যান্য ব্যাক্তিদের উপর বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানি করে। 
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অভিযোগের দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার এস আই আনোয়ারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন বিষয়টি নিয়ে বসার কথা কিন্তু বসতে পারিনি। কাগজ পত্র দেখলে বুঝা যাবে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত শরীফ আহমেদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন কোর্টে যেহেতু মামলা চলমান রয়েছে থানায় অভিযোগ করার তো কোন প্রয়োজন নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com