মঙ্গলবার, ২৩ Jun ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৭ জন রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত
সোনাজয়ী ক্রীড়াবিদ এখন মদ বিক্রেতা

সোনাজয়ী ক্রীড়াবিদ এখন মদ বিক্রেতা

করোনা যে কতভাবে মানুষকে বিব্রত করছে, বিপদে ফেলছে, শিখর থেকে নামিয়ে আনছে সমতলে, তার অন্যতম উদাহরণ বিমলা মুন্ডা৷ ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের এক কৃতি ক্রীড়াবিদ৷
আদিবাসী সমাজের এই মেয়েটি ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি অনুরক্ত ৷ কৈশোরের গন্ডি পার হওয়ার আগেই শুরু করেন ক্যারাটে শিক্ষা ৷ তারপর যৌবনে পা দিয়ে, ২০১১ সালে বিমলা ভারতের ন্যাশনাল গেমস-এ ঝাড়খন্ডের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন ৷

ক্যারেটে-তে জিতে নেন রূপো ৷ এরপর, অক্ষয়কুমার আয়োজিত জুডো প্রতিযোগিতায় অনায়াসে ছিনিয়ে আনেন সোনা ৷
কিন্তু, ভারতের জাতীয় “ক্যারাটে আইকন” বিমলা মুন্ডাকে এখন রাস্তায় বসে, দেশি মদ বিক্রি করতে হচ্ছে৷ বিমলা যখন ক্যারাটের শীর্ষে, তখন ঝাড়খন্ড সরকার তাঁকে একটি ভাল চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয় ৷ গত ফেব্রুয়ারীতে তাঁর সেই চাকরিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ৷ কিন্তু, চারিদিকে করোনা সংক্রমণ এবং লকডাউনের কারণে আজও সেই চিঠি তাঁর হাতে এসে পৌঁছায়নি ৷


মাঝে বাড়ির কাছে একটা মাঠে ছোট ছেলেমেয়েদের ক্যারাটে শেখাচ্ছিলেন ৷ কিন্তু, করোনার ভয়ে সেখানে এখন কেউ আসছে না ৷ ফলে, সেই ক্ষুদ্র আয়ও বন্ধ হয়ে গেছে৷ এদিকে, সংসারে প্রবল অনটন ৷ তাই বাধ্য হয়ে তিনি দেশি মদের ব্যবসায় নেমেছেন ৷
বিমলা মুন্ডার বক্তব্য, তিনি ভেবেছিলেন খেলাধুলোর মাধ্যমে তিনি নিশ্চয় একটা ভাল চাকরি পাবেন ৷ সরকার তাঁর পাশে থাকবে ৷ কিন্তু, বাস্তবে তা হয়নি ৷ তিনি বলেন, “তাই আমি এখন “হাঁড়িয়া” (এক ধরণের দেশি মদ) বিক্রি করছি ৷

যা আদিবাসী সমাজে অত্যন্ত প্রচলিত ৷ এতে আমার কোনও লজ্জা নেই ৷ সংসারের মানুষগুলোর মুখে তো দু’বেলা অন্তত নুন, ভাত জুটছে”!

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com