বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
আগামী বছরেই আসবে করোনা টিকা’, মত বিল গেটসের

আগামী বছরেই আসবে করোনা টিকা’, মত বিল গেটসের

চলতি বছরের শেষেই করোনা টিকার গবেষণা এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সাফল্যের আশা করছেন বিল গেটস। মঙ্গলবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘করোনা টিকা সংক্রান্ত গবেষণায় ছ’টি সংস্থা অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে। আগামী বছরের গোড়াতেই এক মধ্যে তিনটির উৎপাদন ও বণ্টনের কাজ শুরু হয়ে যাবে।’’আগামী বছর করোনা টিকা ব্যবহার পুরোদমে শুরু হবে এবং কোভিড-১৯ সংক্রমণ এড়াতে তার সুফল মিলতে শুরু করবে বলেও জানান গেটস।

সেই সঙ্গে মাইক্রোসফ্‌টের প্রতিষ্ঠাতা দাবি, করোনা টিকার উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব অপরিহার্য হয়ে উঠবে। তাঁর কথায়, ‘‘করোনা টিকা তৈরি হওয়ার পরেই আমরা দ্রুতগতিতে তার উৎপাদন শুরু করতে চাই। আমার মনে হয়, বিশ্ববাসী এমন একটি টিকার প্রতি ভরসা রাখবেন, যা আমেরিকার, ইউরোপ বা ব্রিটেনের মানদণ্ডে পরীক্ষিত।’’বিশ্বজুড়ে এখন ৩৮টি সম্ভাব্য করোনা টিকার মানব বা পশুদেহে ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ চলছে। প্রাক ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ের গবেষণা চলছে ৯৩টি সম্ভাব্য করোনা টিকার উপর। তবে গেটসের মতে,

রাশিয়া বা চিনে করোনা টিকার কাজে সাফল্য মিললেও সেখানকার পরিকাঠামো পশ্চিমী দুনিয়ার সমতুল নয়।

ভারতে করোনা টিকা প্রস্তুত করতে অন্তত সাতটি পৃথক গবেষণা চলছে। ভারত বায়োটেক, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, জাইডাস ক্যাডিলা, প্যানাসিয়া বায়োটেক, ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস, মাইনভ্যাক্স অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল-ই-র মতো সংস্থা এই উদ্দেশ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ’

(আইসিএমআর)-এর সহায়তায় ভারত বায়োটেকের তৈরি সম্ভাব্য করোনা টিকা কোভ্যাক্সিনের মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমেরিকার সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি সম্ভাব্য করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ডের মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়েছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।

বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন টিকা উৎপাদনের বিষয়ে সেরামের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। বিল গেটস এদিন বলেন, ‘‘দ্রুত বিপুল পরিমাণে করোনা টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা প্রশ্নাতীত।’’ তাঁর মতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার পাশাপাশি, নোভাভ্যাক্স, সানোফি এবং জনসন অ্যান্ড জনসন কম দামের করোনা টিকা উদ্ভাবনে সাফল্য পেতে পারে।

প্রসঙ্গত, অগস্ট মাসে মার্কিন সংস্থা ‘নোভাভ্যাক্স’ তাদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক ‘এনভিএক্স-কোভ-২৩৭৩’ উৎপাদনের জন্যও চুক্তি করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে। যদিও পুণের ওই ওষুধ উৎপাদনকারী সংস্থার সিইও আদর পুণাওয়ালা কয়েকদিন আগে বলেছিলেন, ‘‘২০২৪ সালের আগে সকলের কাছে করোনা-টিকা পৌঁছনো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন না।’’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com