বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ওয়াজিদ আলি শাহের প্রপৌত্র মারা গেলেন করোনায়

ওয়াজিদ আলি শাহের প্রপৌত্র মারা গেলেন করোনায়

আওধের শেষ নবাব ওয়াজিদ আলি শাহের প্রপৌত্র, লক্ষ্ণৌয়ের প্রিন্স ড. কওকাব কাদের সাজেদ আলি মির্জার মৃত্যূ হল করোনায় ৷ কলকাতার বাড়িতে ৷ এতদিন এখানেই তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও চার মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন ৷ খিদিরপুরের ভূকৈলাশ রোডে৷
প্রসঙ্গত, লক্ষ্ণৌয়ের নবাবদের সঙ্গে চিরকালই কলকাতার একটা অঙ্গাঙ্গী সম্পর্ক ছিল৷


ওয়াজিদ আলি শাহ তাঁর শেষ জীবন কাটিয়েছিলেন কলকাতাতেই৷৮৭ বছরের ড. কওকাব কাদের দীর্ঘদিন যাবৎ বার্দ্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন ৷ হঠাৎ গত সপ্তাহে তাঁর শরীরে করোনার কয়েকটি উপসর্গ দেখা দেয় ৷ সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট আসে “পজিটিভ” ৷ চিকিৎসা শুরু হয় ৷ কিন্তু, শেষরক্ষা হয় না ৷ গতকাল গভীর রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৷


মির্জা বিরজিস কাদেরের পুত্র কওকাব কাদের একসময় আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন ৷ ১৯৯৩ সালে তিনি সেখান থেকেই অবসর নেন ৷ ঊর্দু ভাষাতেও তাঁর বিশেষ পান্ডিত্য ছিল ৷ তাঁর স্ত্রী ছিলেন লক্ষ্ণৌয়ের বিখ্যাত শিয়া ধর্মীয় পরিবারের সদস্য মামলিকাত বদর ৷ ওয়াজিদ আলি শাহের ওপর একাধিক গবেষণাও তিনি করে গেছেন ৷ সত্যজিৎ রায় যখন “শতরঞ্জ কি খিলাড়ি” ছবিটি তৈরি করেন,

তখন নানা গবেষণা কাজে তিনি সাহায্য করেছিলেন ৷ অন্যদিকে, বিলিয়ার্ড ও স্নুকার-এর অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে আজও ভারতে কওকাব কাদের সাজেদ আলি মির্জার নামই করা হয় ৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com