বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
সঞ্জয় দত্তের চিকিৎসা চলছে ভারতেই

সঞ্জয় দত্তের চিকিৎসা চলছে ভারতেই

আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে হঠাৎ অসম্ভব শ্বাসকষ্ট শুরু হয় হিন্দি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের ৷ দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৷ করোনাকালে এই শ্বাসকষ্ট হওয়ায়, সবাই ধরে নিয়েছিলেন সঞ্জয় নিশ্চয় “কোভিট-১৯”-এর শিকার ৷ কিন্তু, নানাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেও তাঁর করোনা রিপোর্ট আসে “নেগেটিভ” ৷


তখন চিকিৎসকরা আবিষ্কার করেন করোনা নয়, সঞ্জয় দত্ত ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত৷ এবং সেটা “থার্ড স্টেজ” ৷ প্রথমে ওষুধপত্র দিয়ে কয়েকদিনের জন্য তাঁকে বাড়িতে বিশ্রাম নিতে বলা হয়৷
ঠিক এই সময়ে ভারতের বিভিন্ন মিডিয়া খবর করে, ভারতে সঞ্জয় দত্তের চিকিৎসা হবে না ৷ দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি উড়ে যাবেন আমেরিকায় ৷ তাঁরা এমন ভবিষ্যতবাণীও দেন যে, চিকিৎসা হবে সেই হাসপাতালে, যেখানে সঞ্জয়ের মা, অতীতের লাবণ্যময়ী নায়িকা নার্গিস-এর ক্যান্সার নিরাময়ের চেষ্টা করা হয়েছিল৷

শুধু তাই নয়, নার্গিসের মৃত্যুর পরে দত্ত পরিবার সেখানে একটি “ক্যান্সার ফাউন্ডেশন”-ও গড়ে তোলেন৷ এখন যার দেখাশোনা করেন সঞ্জয়ের বোন প্রিয়া দত্ত ৷ তারাই যাবতীয় দায়িত্ব নেবে ৷
কিন্তু, সব জল্পনা-কল্পনাকে ভুল প্রমাণ করে, দুই সপ্তাহ পরে সঞ্জয় দত্তের চিকিৎসা শুরু হয় মুম্বাইতে ৷ কোকিলাবেন হাসপাতালে ৷ প্রিয়া দত্তও জানিয়ে দেন, তাঁদের ক্যান্সার ফাউন্ডেশন পাশে থাকলেও, এখন চিকিৎসা হবে ভারতেই ৷ কারণ প্রথমত, ভারতে এখন ক্যান্সারের চিকিৎসা যথেষ্ট উন্নত৷

আর্ন্তজাতিক মানের৷ দ্বিতীয়ত, বিদেশের সব বিমান বন্ধ৷ তৃতীয়ত, গেলেও সেখানে ১৪দিন গৃহবন্দী হয়ে থাকতে হবে৷
চিকিৎসার শুরুতে মুম্বাই-এর বিশিষ্ট অঙ্কোলজিস্ট-দের নিয়ে একটা বোর্ড গঠিত হয়৷ তাঁদের পরিকল্পনা অনুসারে সঞ্জয়কে প্রথম পর্য্যায়ে ৪টি “কেমো” দেওয়া হয়েছে৷ কোকিলাবেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সঞ্জয় খুব ভালভাবেই সেগুলি নিয়েছেন ৷ কোনও সমস্যা হয়নি ৷

পরবর্তী কেমোথেরাপি শুরু হবে তিন সপ্তাহ পরে৷
এ’ব্যাপারে কলকাতার বিশিষ্ট ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা: রাকেশ রায় জানালেন, সাধারণত ক্যান্সার তখনই নির্মূল করা সম্ভব, যদি তা আগে ধরা পড়ে৷ তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঠিক চিকিৎসা হলে, রোগীর জীবনকাল বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব ৷ ডা: রাকেশ রায় বললেন, “যেমন ধরুন, পরীক্ষা করে যদি দেখা যায়, রোগীর আয়ূ ৩/৪ মাসের বেশি নয় ৷ সেটা আমরা ৩/৪ বছর টেনে দিতে পারি”৷

ফুসফুসের ক্যান্সার সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “আগে একটা সময় ছিল যখন এই রোগীদের কেমোথেরাপি দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকত না৷ কিন্তু এখন নানা ধরণের ট্যাবলেট বেরিয়ে গেছে ৷ কেমো-র পাশাপাশি আমরা সেগুলোও প্রয়োগ করে থাকি ৷ তাই আর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না ৷” তবে, থার্ড স্টেজ রোগীদের সম্বন্ধে ডা: রায়ের বক্তব্য, এক্ষেত্রে যদি রোগীর শরীরে এমন “জিন বা মিউটেশন” পাওয়া যায়, যা রোগটাকে প্রতিরোধ করতে পারবে, তাহলে খুব ভাল হয় ৷ তবে, সেক্ষেত্রে অন্তত শতকরা ৪০ ভাগ “জিন” পেতে হবে ৷

তিনি বলেন, “এখন বিজ্ঞান অনেক উন্নত ৷ সেটাই মূল ভরসা ৷ যদিও এক্ষেত্রে সঞ্জয় দত্তের শারীরিক ও মানসিক জোরটাও অত্যন্ত প্রয়োজন ৷ কারণ, তিনি “থার্ড স্টেজ”-এ রয়েছেন ৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com