বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খ্যাতিই কেড়ে নিল ভোজিনিয়ার শান্তি হাসপাতালেও হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার খামেনি পিওএস ছাড়াই স্মার্টফোনে নেওয়া যাবে কার্ড পেমেন্ট সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সামাজিক সুরক্ষায় আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
খাদিজা কে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

খাদিজা কে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

দুই সন্তানের জননী খাদিজার হাসিখুশিতে কাটছিল জীবন হঠাৎ তার জিবনে নেমে আসে অন্ধকার গত কয়েক মাস মরণব্যাধি PUD & PID রোগে আক্রান্ত হয় জীবনের শেষ দিনগুলো গুনছে।
খাদিজা বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের গাবতলী গ্রামের ফারুক সিকদারের মেয়ে।
ব্যক্তিগত জীবনে খাদিজা বিবাহিতা হলেও দীর্ঘদিন যাবৎ বাবার বাড়ীতেই অবস্থান করছে।বাবার ভিটে,বাড়ী বিক্রি করা টাকায় দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরে বাবাও সর্বশান্ত হয়েছে আর বিনা চিকিৎসায় খাদিজার প্রানপ্রদীপও নিভু নিভু।

তার বাড়ীতে গিয়ে তার মা-বাবার আহাজারি শুনে আমার হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে।তাদের বাঁধ ভাঙ্গা কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।তার এক চাচাত ভাইয়ের নিকট থেকে জানলাম খাদিজার ও তার বাবার বাড়ীর করুন পরিনতি।

খাদিজাকে চিকিৎসার জন্য প্রথম ১৬ জুলাাই ‘১৯ খ্রীঃ তারিখ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল জেলা সদর হাসপাল,বরগুনা’র
আর,এম,ও(এক্স) ডাঃ মোঃ আবদুস সালাম সাহেবের নিকট।তিনি নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেন।ব্যর্থ হয়ে খাদিজার বাবা ভিটে-বাড়ী বন্ধক রেখে কলিজার টুকরো বড় মেয়েকে বাচিঁয়ে তোলার ভরসা নিয়ে মেয়েকে নিয়ে যান বরিশালে।বরিশাল গিয়ে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের গ্যাসট্রোলজী বিভাগীয় প্রধান(এক্স) জনাব ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ সাহেবের অধীনে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরেও ফারুক সিকদারের নয়নের নিধি কন্যাটি সুস্থ্য হয়ে না উঠলে বাবা ফারুক হাল ছাড়লেন না।

বুকভরা আশা নিয়ে কলিজাার টুকরো মেয়েটিকে নিয়ে ঢাকায় গেলেন সবটুকু সহায়-সম্বল হারিয়ে।ঢাকায় গিয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপালে ১৬-০১-২০২০খ্রীঃ তারিখ ভর্তি হয়ে অত্র হাসপাতালের জনৈক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা নেন।উক্ত হাসপালে ভর্তি হয়ে মেডিসিন বিভাগের Fmw-02 ওর্য়াডের Ex-65 শয্যায় ২১-০১-২০২০ খ্রীঃ তারিখ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন।তিনি PUD & PID রোগে ভুগছেন বলে জনৈক আ্যসোসিয়েট প্রোফেসর জানিয়েছেন।

ঢাকা থেকে ফেরার পরে কিছুদিন অপেক্ষাকৃত সুস্থ্য থাকলেও,ধীরে ধীরে তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে।তাকে যা কিছুই খাওয়ানো হতো,তাই বমি করে ফেলে দিত।বর্তমানে দুই সপ্তাহ যাবৎ দৈনিক দু-একবার পানি ছাড়া আর কিছুই খেতে পারেন।তাও মাঝে-মধ্যে বমি করে ফেলে দেয়।

খাদিজার বাবার চারদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পরেছে।
কোভিড-১৯ এর প্রর্দুভাবে কাজ নেই,ঘরে খাবার নেই,মেয়ের চিকিৎসার টাকা নেই।”এরপরে মরার উপর খাড়ার ঘাঁ।” বড় বোনের অসুখ দেখার জন্য ছোটবোন স্বামীর অনুমতি নিয়ে বাবার বাড়ী এসেছে।

এ অপরাধে স্বামীর ভগ্নিপতির প্ররোচনায় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ীর মানুষ তাকে আর না নেয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
খাদিজার বাবা ফারুক সিকদারের মোবাইল নম্বর-০১৭৯৮৩৪৩৬২৯
তালতলী ২০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ডাক্তার ফাইজুর রহমান জানান, রক্তহীনতা ও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে রোগী কোন কিছুই খেতে পারছে না তাই তাকে নল দিয়ে খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
তাকে উন্নত চিকিৎসা করালে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com