বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
চীন-ভুটান দ্বন্দ্বে জড়াতে চায় না ভারত

চীন-ভুটান দ্বন্দ্বে জড়াতে চায় না ভারত

লাদাখ নিয়ে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ভুটানের ভূখণ্ড নিজেদের বলে দাবি করেছে চীন। যা নিয়ে প্রতিবাদও জানিয়েছে ভুটান। তবে চীন-ভুটান দ্বন্দ্বে মাথা না ঘামানোর সিদ্ধান নিয়েছে ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার। মূলত চীনের সঙ্গে উত্তেজনা যেন আর বাড়ে তাই কাছের বন্ধু ভুটান প্রশ্নে সুর নরম করলো নয়াদিল্লি।ভুটান শুধু উপলক্ষ মাত্র। আসল লক্ষ্য ভারত। গালওয়ানের পরে এবার অরুণাচল সেক্টর নিয়ে চাপ তৈরির পূর্ব প্রস্তুতি এটা।

এমটাই ধারণা করছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সূত্রের বরাত দিয়ে এমন খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।সম্প্রতি চীন-ভুটান সীমান্তের পূর্ব সেক্টর নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে চীন। ওই জায়গাটি অরুণাচল প্রদেশের খুবই কাছের। যে অরুণাচলকে ধারাবাহিক ভাবে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে আসছে চীন।চীনের বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভুটান এবং চীনের মধ্যে পশ্চিম ও মধ্য সেক্টর নিয়ে গত তিন দশক ধরে মতবিরোধ রয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে কয়েক দফায় আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে অপেক্ষাকৃত শান্ত পূর্ব সেক্টরটিকে নিয়ে যে ভাবে তারা সক্রিয় হয়েছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ভারেতর সরকার।

তবে বিষয়টি নিয়ে আদৌ মুখ খুলছে না ভারত।এদিকে গালওয়ানে চীনের সঙ্গে সেনা পিছনোর যে প্রক্রিয়া গতকাল সোমবার থেকে শুরু হয়েছে, তার মধ্যে কোনো জটিলতা সৃষ্টি হোক, এটা চায় না ভারতীয় সামরিক বাহিনী। বিশেষ করে চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভুটানের সঙ্গে তাদের সীমান্ত নিয়ে মতান্তরে কোনো ভাবেই তৃতীয় পক্ষ যেন নাক না গলায়। তবে গোটা বিষয়টির দিকে সতর্ক নজর রাখছে দিল্লি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com