মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ? মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
রেড জোনে চিহ্নিত করা হয়েছে ভোলা জেলার ৪৩ এলাকা:হতেপারে লকডাউনের ঘোষনা

রেড জোনে চিহ্নিত করা হয়েছে ভোলা জেলার ৪৩ এলাকা:হতেপারে লকডাউনের ঘোষনা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় ভোলা জেলার ৬টি উপজেলায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ৪৩টি নির্দিষ্ট এলাকাকে “রেড জোন” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ওই নিদিষ্ট এলাকাগুলোতে লকডাউন করার কাজ শুরু হতে পারে। এসব এলাকার সাধারণ মানুষদের আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাইরে বের হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতেপারে। এছাড়া ৪টি উপজেলার ওয়ার্ড ভিত্তিক ১১টি নির্দিষ্ট এলাকাকে “ইয়োলো জোন” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সকল এলাকার মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সল্পপরিসরে চলাচল করতে পারবে। মঙ্গলবার রাতে ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো জানান, জেলার ৭ উপজেলাকে তিনটি জোনে (লাল, হলুদ ও সবুজ) ভাগ করে মঙ্গলবার ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের বরাবর এ সংক্রান্ত একটি বিবরণী পাঠানো হয়েছে। সাত উপজেলার ৪৩টি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কিছু স্থানকে রেড ম্যাপিং করা হয়েছে। ওই সকল স্থান লকডাউন চলাকালে কঠোর বিধি-নিষেধের আওতায় থাকবে। আগামী বৃহস্পতিবার নাগাদ এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলেও জানান জেলার প্রধান এই কর্মকর্তা।

ভোলার জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানায়, মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ জন। আর সুস্থ হয়েছে ৪৩ জন।

জেলায় রেড (লাল) জোন এলাকাগুলো হলো, ভোলা সদর উপজেলার ভোলা পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এ ছাড়া বাপ্তা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড, শিবপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, আলীনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, চরসামাইয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও উত্তর দীঘলদি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড। দৌলতখান উপজেলার দৌলতখান পৌরসভার ২ ও ৪ নং ওয়ার্ড। এছাড়া উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ড। এ ছাড়া গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। লালমোহন উপজেলার লালমোহন পৌরসভার ২, ৪, ৫ ও ৭ নং ওয়ার্ড। এছাড়া কালমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, চরভূতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও লালমোহন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। চরফ্যাশন উপজেলার চরফ্যাশন পৌরসভার ১, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৯নং ওয়ার্ড। এছাড়া আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ১নং ও ৩নং ওয়ার্ড এবং আবুবকরপুর ৩ নং ওয়ার্ড। মনপুরা উপজেলায় দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। এই ৪৩টি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কিছু স্থানকে রেড জোন ঘোষনা করে লকডাউনের আওতায় আনা হবে।

অপরদিকে ইয়োলো (হলুদ) জোনসমূহ হলো, ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, চরভূতা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, লালমোহন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড এবং পশ্চিম চর-উমেদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ও নীল কমল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড। তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ১ ও ২নং ওয়ার্ড। এসব এলাকার মানুষ জরুরি প্রয়োজনে বের হলে সকলকে আবশ্যকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ও যথাযথভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। এছাড়া প্রকাশ্য স্থানে বা গণজমায়েত করা যাবে না।

এছাড়া জেলার বাকি এলাকা সমূহ গ্রিন (সবুজ) জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলার ৭টি উপজেলাকে ইউনিয়ন ভিত্তিক এবং পৌরসভায় ওয়ার্ড ভিত্তিক করোনা সংক্রমণের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই তিনটি রং দ্বারা বিভাজন করা হয়েছে। বিভাজনে যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড করোনায় খুব বেশি সংক্রমিত বলে তথ্য রয়েছে, সেগুলোকে ‘রেড জোন’ বা লাল চিহ্নিত এলাকা, যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড মাঝারি পর্যায়ে সংক্রমিত বলে তথ্য পাওয়া গেছে সেগুলোকে ‘ইয়লো জোন’ বা হলুদ চিহ্নিত এলাকা এবং যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে করোনা একেবারে সংক্রমিত হয়নি সেগুলোকে নিরাপদ রাখতে গ্রিন জোন বা সবুজ চিহ্নিত এলাকা হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com