বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রেড জোনে চিহ্নিত করা হয়েছে ভোলা জেলার ৪৩ এলাকা:হতেপারে লকডাউনের ঘোষনা

রেড জোনে চিহ্নিত করা হয়েছে ভোলা জেলার ৪৩ এলাকা:হতেপারে লকডাউনের ঘোষনা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় ভোলা জেলার ৬টি উপজেলায় ওয়ার্ড ভিত্তিক ৪৩টি নির্দিষ্ট এলাকাকে “রেড জোন” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ওই নিদিষ্ট এলাকাগুলোতে লকডাউন করার কাজ শুরু হতে পারে। এসব এলাকার সাধারণ মানুষদের আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাইরে বের হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতেপারে। এছাড়া ৪টি উপজেলার ওয়ার্ড ভিত্তিক ১১টি নির্দিষ্ট এলাকাকে “ইয়োলো জোন” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সকল এলাকার মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সল্পপরিসরে চলাচল করতে পারবে। মঙ্গলবার রাতে ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো জানান, জেলার ৭ উপজেলাকে তিনটি জোনে (লাল, হলুদ ও সবুজ) ভাগ করে মঙ্গলবার ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের বরাবর এ সংক্রান্ত একটি বিবরণী পাঠানো হয়েছে। সাত উপজেলার ৪৩টি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কিছু স্থানকে রেড ম্যাপিং করা হয়েছে। ওই সকল স্থান লকডাউন চলাকালে কঠোর বিধি-নিষেধের আওতায় থাকবে। আগামী বৃহস্পতিবার নাগাদ এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলেও জানান জেলার প্রধান এই কর্মকর্তা।

ভোলার জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানায়, মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলায় মোট ১৪০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ জন। আর সুস্থ হয়েছে ৪৩ জন।

জেলায় রেড (লাল) জোন এলাকাগুলো হলো, ভোলা সদর উপজেলার ভোলা পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এ ছাড়া বাপ্তা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড, শিবপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, আলীনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, চরসামাইয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও উত্তর দীঘলদি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড। দৌলতখান উপজেলার দৌলতখান পৌরসভার ২ ও ৪ নং ওয়ার্ড। এছাড়া উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ড। এ ছাড়া গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। লালমোহন উপজেলার লালমোহন পৌরসভার ২, ৪, ৫ ও ৭ নং ওয়ার্ড। এছাড়া কালমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, চরভূতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও লালমোহন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। চরফ্যাশন উপজেলার চরফ্যাশন পৌরসভার ১, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৯নং ওয়ার্ড। এছাড়া আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ১নং ও ৩নং ওয়ার্ড এবং আবুবকরপুর ৩ নং ওয়ার্ড। মনপুরা উপজেলায় দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। এই ৪৩টি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কিছু স্থানকে রেড জোন ঘোষনা করে লকডাউনের আওতায় আনা হবে।

অপরদিকে ইয়োলো (হলুদ) জোনসমূহ হলো, ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, চরভূতা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড, লালমোহন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড এবং পশ্চিম চর-উমেদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড। চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড ও নীল কমল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড। তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ১ ও ২নং ওয়ার্ড। এসব এলাকার মানুষ জরুরি প্রয়োজনে বের হলে সকলকে আবশ্যকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ও যথাযথভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। এছাড়া প্রকাশ্য স্থানে বা গণজমায়েত করা যাবে না।

এছাড়া জেলার বাকি এলাকা সমূহ গ্রিন (সবুজ) জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলার ৭টি উপজেলাকে ইউনিয়ন ভিত্তিক এবং পৌরসভায় ওয়ার্ড ভিত্তিক করোনা সংক্রমণের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে এই তিনটি রং দ্বারা বিভাজন করা হয়েছে। বিভাজনে যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড করোনায় খুব বেশি সংক্রমিত বলে তথ্য রয়েছে, সেগুলোকে ‘রেড জোন’ বা লাল চিহ্নিত এলাকা, যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড মাঝারি পর্যায়ে সংক্রমিত বলে তথ্য পাওয়া গেছে সেগুলোকে ‘ইয়লো জোন’ বা হলুদ চিহ্নিত এলাকা এবং যে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে করোনা একেবারে সংক্রমিত হয়নি সেগুলোকে নিরাপদ রাখতে গ্রিন জোন বা সবুজ চিহ্নিত এলাকা হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com