বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সেফটিএক্সোন ইনজেকশন সরবরাহ বন্ধ

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সেফটিএক্সোন ইনজেকশন সরবরাহ বন্ধ

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সরকারের বিনামূল্যে সরবরাহকৃত সেফটিএক্সোন ইনজেকশন ওয়ার্ডে সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে। মেয়াদ শেষের আগে সেফিপাইম ইনজেকশন শেষ করার জন্য ওয়ার্ডে সরবরাহ করার কারণে কর্মকর্তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতো দিন স্টোর বন্দী ছিলো সেফিপাইম। কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, সেফটিএক্সোন ও সেফিপাইম ইনজেকশনের কাজ অনেকটা আলাদা। সব রোগীর শরীরে সেফিপাইম প্রয়োগ করা যায়না। ফলে রোগীর জন্য বাইরে থেকে সেফটিএক্সোন কিনতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একজন সিনিয়র চিকিৎসক জানিয়েছেন,

সেফটিএক্সোন ও সেফিপাইম দুটো ইনজেকশনই সিফালোস্পরিন এনটিবায়োটিক। ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চিকিৎসায় দুটো ব্যবহার করা যায়। কিন্তু সেফটিএক্সোন সব রোগীর শরীরের প্রয়োগ করা গেলেও সেফিপাইমের ক্ষেত্রে ভিন্ন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, সেফিপাইম ফোর জেনারেশনের আর সেফটিএক্সোন হলো থার্ড জেনারেশনের ইনজেকশন। যে কারণে সেফিপাইমের পাওয়ার বেশি। ওই চিকিৎসক আরো জানান, সেফটিএক্সোন মহিলা প্রজনন অঙ্গের সংক্রমণ (গনোরিয়া),

পেলভিক প্রদাহ রোগ,ফুসফুসের সংক্রমণ ,চামড়া, রক্ত হাড় ও পেটের ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে সচরাচার ব্যবহার হয়। আর সেফিপাইম নিউমোনিয়া, ত্বক, কিডনি এবং মূত্রনালীর সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে অহরহ ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেফটিএক্সোন ও সেফিপাইম ইনজেকশনের কাজ প্রায় এক। তার পরেও সেফিপাইমের পাওয়ার বেশি হওয়ায় চিকিৎসকরা রোগীর জন্য প্রথম অবস্থায় সেফটিএক্সোন ইনজেকশন লেখেন। এতে কাজ না হলে দ্বিতীয় ধাপে সেফিপাইমের ব্যবহার করা হয়। একাধিক
রোগীর ব্যবস্থাপত্রে দেখা গেছে চিকিৎসক সেফটিএক্সোন ইনজেকশন লিখেছেন। ফলে ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সেবিকারা বাইরে থেকে ইনজেকশন কেনার জন্য কাগজ ধরিয়ে দিচ্ছেন। রোগীর স্বজন শিমুল জানান, প্রতিদিন ২৮০ টাকা দিয়ে বাইরে থেকে দুটি করে সেফটিএক্সোন ইনজেকশন কিনে আনতে হচ্ছে। শিমুলের মতো অনেকেই এধরণের কথা জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সেবিকা জানান, প্রায় ১ মাস হলো সেফটিএক্সোন ইনজেকশন স্টোর থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে না। চাহিদাপত্র দিলেই সেফটিএক্সোন না দিয়ে সেফিপাইম দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসক না লিখলে তারা রোগীকে সেফিপাইম দিচ্ছেন না।
স্টোর থেকে বলা হয়েছে, সেফিপাইম শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেফটিএক্সোন সরবরাহ করা হবেনা। তাই বাইরে থেকে সেফটিএক্সোন কিনে আনতে বলা হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক সেবিকা জানিয়েছেন, মেয়াদ শেষে কয়েক মাস আগেই বেশি বেশি সেফিপাইম সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসক রোগীর ব্যবস্থাপত্রে খুব বেশি লিখছেন না । তাই দেয়া হচ্ছে না। ফলে রোগীর শরীরে প্রয়োগ না হয়ে ইনজেকশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুরু থেকে অল্প পরিমাণে সেফিপাইম ওয়ার্ডে সরবরাহ করা হলে এমনটা হতো না। ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি এ হাসপাতালে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত রোগীরাই ভর্তি হয়। আর্থিক সঙ্কটের কারণে তারা বেসরকারি হাসপাতালে যান না। তাদের ভরসা থাকে স্বল্প খরচে সরকারি হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসা পাবেন। ওই সব রোগিরা হাসপাতালে ভর্তির পর পড়েন বেকায়দায়। মূল্যবান ওষুধ কিনতে গিয়ে রোগীর স্বজনেরা হাফিয়ে উঠছেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ জানান, স্টোরে পর্যাপ্ত পরিমাণে সেফটিএক্সোন আছে।

কিন্তু সেফিপাইম শেষ করার জন্য সেফটিএক্সোন সাপ্লাই বন্ধ রাখা হয়েছে। ওষুধ আসার প্রথম থেকে সরবরাহ করা হয়নি কেনো জানতে চাইলে তিনি জানান, স্টোরে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে সেফিপাইম দেখতে পায়। তাই মেয়াদ শেষের আগে শেষ করার জন্য বলা হয়েছে। আরএমও আরো জানান, দুটো ওষুধের কাজ পুরোপুরি এক না। তবে যে রোগী সেফটিএক্সোন পাবে তাকে সেফিপাইম দেয়া যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com