আগের সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ- ডিএসই’র প্রধান সূচক কমেছে। দৈনিক গড় লেনদেন ১৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭৮২ কোটি টাকায়। বেশির ভাগ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমায় সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসই’র বাজার মূলধনও কমেছে প্রায় ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের মন্দাভাব কাটেনি গত সপ্তাহেও।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার প্রধান সূচক কমে ৩৮ পয়েন্ট। লেনদেন বেশ কিছুদিন পরে হাজার কোটি ছাড়িয়ে বেড়ে দাঁড়ায় এক হাজার ১৯৭ কোটিতে।
পরের দুদিন ডিএসই-এক্স সূচকে৩৮ পয়েন্ট যোগ হলেও বুধ ও বৃহস্পতিবার আবারো সূচক কমে ২৫ পয়েন্ট। অর্থাৎ পাঁচ দিনের ওঠানামায় সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসই’র প্রধান সূচকও ২৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান নিয়েছে ৪ হাজার ৮৮০তে।
আর গত সপ্তাহে বাছাইসূচক ডিএসই-৩০’তে ১০ পয়েন্ট কমলেও ১১ পয়েন্ট বেড়েছে শরিয়াহ সূচকে। সপ্তাহের সর্বনিম্ন লেনদেন ছিল বুধবার ৫৪৫ কোটি টাকা। আর দৈনিক গড় লেনদেন ১২৯ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৮২ কোটি টাকায়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত সপ্তাহে দর বাড়ার শীর্ষ ৫ প্রতিষ্ঠান হল- বাংলাদেশ ল্যাম্পস, আরামিট লিমিটেড, বঙ্গজ লিমিটেড, অ্যাপেক্স ফুডস এবং আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড ফান্ড। আর দাম হারানো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো- সিএপিএম বিডিবিএল ফান্ড ০১, এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ড, এসইএমএল লেকচার ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ ফান্ড এবং এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড।
সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৩৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ১৯৯টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৬৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম। এ সময় বাজার মূলধন কমেছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ।